আইএসএল (ISL) নিয়ে জট খুলেছে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে লিগ। তবে লিগের ম্যাচ সংখ্যা কমছে। এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন আইএসএলের ম্যাচ কোথায় হবে? যা নিয়ে ক্লাব জোটের মধ্যে চলছে জোর আলোচনা।

কলকাতা থেকে আইএসএলের অংশ নেবে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল , মহমেডান। বাংলার ক্রীড়াপ্রেমীদের আশার কথা শোনালেন আইএফএ সচিব তথা ফেডারেশনের টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য অনির্বাণ দত্ত(Anirban Dutta)। বিশ্ব বাংলা সংবাদকে তিনি জানিয়েছেন, এবার লিগে ম্যাচ সংখ্যা কমবে। কিন্তু হবে সুইস মডেলে। ফলে প্রত্যেক ক্লাবই হোম অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ খেলবে। তারপর চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ড হবে। ফলে বাংলার তিন দল যেহেতু লিগে অংশ নিচ্ছে ফলে আশা করা যাচ্ছে বাংলায় আইএসএলের ম্যাচ হবে। বাংলার ক্রীড়াপ্রেমীরা মাঠে গিয়ে ম্যাচ দেখতে পারবেন।

আইএসএলের (ISL) দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই জোর কদমে চলছে যুবভারতী(Yubha bharati) সংস্কারের কাজ। ১লা জানুয়ারি থেকে পুলিশের অনুমতি নিয়ে শুরু হয়েছে যুবভারতী সংস্কারের কাজ। ভাঙাচোরা চেয়ার, জলের বোতল ইত্যাদি পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। পূর্ত দফতরের কাছে চাওয়া হয়েছে খরচের এস্টিমেট। মেসি কাণ্ডের পর কার্যত বন্ধই ছিল যুবভারতী। বুধবার দেখা গেল যুবভারতীর মূল ভিআইপি গেট খোলা, রয়েছে পুলিশের গাড়ি।
ভারতীয় ক্লাব ফুটবলকে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় আবেদন জানালেন বেঙ্গালুরু এফসির শীর্ষ কর্মকর্তা পার্থ জিন্দাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “বর্তমান ফর্ম্যাটে আইএসএল খেলতে গেলে সব ক্লাবের কাছ থেকেই যে বিপুল ত্যাগ স্বীকার করতে বলা হচ্ছে, তা সত্যিই অভূতপূর্ব। যদি লিগটাই না থাকে, তাহলে তার পরিণতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হবে। এই সুযোগে মাননীয় ক্রীড়ামন্ত্রীকে তাঁর হস্তক্ষেপ ও প্রস্তাবের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই।

এখানেই থেমে না থেকে তিনি আরও লিখেছেন, আমি সত্যিই আশা করি খেলোয়াড়রা ক্লাবগুলোর ওপর পড়া অতিরিক্ত আর্থিক চাপটা বুঝবেন এবং তারাও ত্যাগ স্বীকার করতে রাজি হবেন, কারণ আমরা সবাই একসঙ্গেই এই পরিস্থিতির মধ্যে আছি। আমরা এটা করছি ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থেকে—আমাদের দেশ যেন এই সুন্দর খেলাটা খেলতে পারে এবং তাতে আরও ভালো হতে পারে, সেই লক্ষ্যেই।

–

–

–

–



