তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বৃহস্পতিবার সকালে আইপ্যাকের সল্টলেকের দফতর ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রতীকের বাড়ি গিয়ে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Benrjee)। পরে সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসে গিয়েও বেশ কিছু নথি নিয়ে বেরোন তৃণমূল সভানেত্রী। তাঁর দাবি, ওইসব তাঁর দলের নথি, তাই তিনি নিয়ে যাচ্ছেন। আর এই নিয়ে হাই কোর্টের আবেদন ইডি-র। হাই কোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। বিচারপতি মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বলে খবর। শুক্রবার শুনানির সম্ভবনা। 

মমতার (Mamata Benrjee) অভিযোগ, তৃণমূলের নির্বাচনী রণকৌশল চুরির চেষ্টা করেছে ইডি। এর পাল্টা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, ২০২০ সালে দিল্লিতে দায়ের হওয়া কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গের ৬টি জায়গায় বৃহস্পতিবার অভিযান চালানো হয়। এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও সম্পর্ক নেই। কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়েও অভিযান হয়নি। ইডি-র দাবি, তল্লাশির কাজ ঠিকমতো চলছিল, পুলিশও সাহায্য করেছিল।
আরও খবর: অন্যান্য রাজনৈতিক দল বিজেপির সঙ্গে ডিল করেছে, ২০২৯-এ ওদের গল্প শেষ: বিস্ফোরক অভিষেক

ইডি-র অভিযোগ, আইপ্যাকের (I-PAC) কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সল্টলেকের অফিসে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে নিজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ঢুকে নথি নিয়েছেন, তা তদন্ত বাধা দেওয়ার শামিল। আর এই বাধাদানের অভিযোগ তুলেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। শুক্রবার এনিয়ে শুনানি হতে পারে।
–

–

–

–

–

–

–
–


