ছিপছিপে চেহারা। অসম্ভব ফিটনেস। একটানা গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে করতে পারেন র্যালি। তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সব অর্থেই যুব প্রজন্মের আইডল। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি জিমের ছবিও পোস্ট করেছিলেন তিনি। সোমবার ‘আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা’ কনক্লেভে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কবে আবার সেই লুক (Gym Look) সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) পোস্ট করবেন? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) উত্তর, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ২৫০ আসন পেলেই ফের জিম-সেলফি পোস্ট।

অনেক বছর আগেই মেদ ঝরিয়ে ছিপছিপে চেহারা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। কিছুদিন আগে নিজের ওয়ার্কআউটের (Gym Look) ছবি পোস্ট করে সেই রহস্যফাঁসও করেছেন তিনি। ছবি পোস্ট হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ইদানিং অভিষেকের রণসংকল্প যাত্রার সভামঞ্চে র্যাম্প করা হচ্ছে। সভামঞ্চ থেকে উপস্থিত জনতার প্রশ্ন নিচ্ছেন অভিষেক। সেগুলির উত্তর দিচ্ছেন। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক ডিজিটাল যোদ্ধার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন তৃণমূলের সেনাপতি। মঞ্চে সঙ্গে তখন তৃণমূল নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, দেবাংশু ভট্টাচার্য। সেখানেই প্রশ্ন আসে- “দাদা, আপনি নেক্সট জিম সেলফি কবে পোস্ট করবেন?”
মঞ্চে দাঁড়িয়েই অভিষেকের সাফ উত্তর, “২৫০ করার পর। তৃণমূল জিতবে, ২৫০ হবে। তারপর হবে।” সভা জুড়ে তখন তুমুল হাততালি।

এদিন মিলনমেলার মঞ্চ থেকে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে ২৫০ আসনে জেতানোর টার্গেট বেঁধে দেন অভিষেক৷ দলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের উদ্দেশে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শ, “২৫০ আসন করতেই হবে। ১১০ দিন লড়তে হবে। এক ইঞ্চি ছাড়া যাবে না জায়গা। সময় নষ্ট করা যাবে না।”
অভিষেক সোশ্যাল মিডিয়ায় সবথেকে বেশি কোন ধরনের কনটেন্ট দেখেন? তাঁর প্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটার কে? এই প্রশ্নের উত্তরে খোঁচা দিয়ে অভিষেক বলেন, “দেশের সবথেকে বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আমার মনে হয় দেশের প্রধানমন্ত্রী। পুরোটাই পিআর-এ চলছে, পুরোটাই কন্টেন্টের উপর।” এরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক জানান, “আমি ফেসবুকে বেশি সময়য় কাটাই না। তবে ফোনে স্ক্রিন টাইম ১০-১২ ঘণ্টা। কাজের বাইরে আলাদা করে ফেসবুকে কন্টেন্ট দেখার সুযোগ পাই না। তবে আমাদের সহকর্মীরা অনেকেই ভাল বলেন, লেখেন, আমি তাদের কথা শুনি, দেখি। যাঁরা দলের হয়ে কাজ করবেন, তাঁদের আমি অনুরোধ করব, আমাদের বাংলার উপর যে হামলা-আঘাত, বাংলার সংস্কৃতিকে নষ্ট করার যে প্রচেষ্টা, তাও তুলে ধরবেন মানুষের সামনে। বাংলার ইতিহাস যেন আগামী প্রজন্ম মনে রাখে। তারা যেন বাংলার অবদান ভুলে না যায়।”

–

–

–

–

–

–


