নির্বাচনের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ। ফল ঘোষণার প্রস্তুতি মহারাষ্ট্র রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। অথচ এরপরেও মিলল না ভোটের কালি (indelible ink) তুলে দিয়ে কত মানুষ একাধিকবার ভোট দিয়েছেন, সেই উত্তর। এমনকি কোনওভাবে অভিযোগ উঠে আসা এলাকায় পুণর্নির্বাচন হবে না, স্পষ্ট জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission)।

২৯ পুরনিগম নির্বাচনে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের একই ধারা প্রায় অব্যাহত। ফলাফলের গতিপ্রকৃতি প্রকাশ্যে আসা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফল মহারাষ্ট্রের দেবেন্দ্র ফাড়নবিশ (Devendra Fadnavis) সরকারের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ষড়যন্ত্রের ফল, স্পষ্ট দাবি করেছিলেন শিবসেনা ইউটিবি প্রধান উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। তার একাধিক কারণ বৃহস্পতিবার ভোটদানের পরে যেমন তিনি তুলে ধরেছিলেন, তার অন্যতম ছিল একই ভোটারের একাধিকবার ভোট দানের অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া আঙুলের কালি মুছে আবার ভোট দেওয়ার অভিযোগ একাধিক জায়গা থেকে এসেছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি।

আদতে সেই সব অভিযোগকে যে গুরুত্ব দেয় না নির্বাচন কমিশন, বুঝিয়ে দিলেন মহারাষ্ট্রের নির্বাচনী আধিকারিক দীনেশ বাগমারে। কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় কোথাও এইসব ক্ষেত্রে পুণর্নির্বাচন হবে না। দায় সেরে কমিশন (state election commission) জানায় এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিযোগের ভিত্তিতে। সেই সঙ্গে যে সংস্থা এই কালি (indelible ink) সরবরাহ করে তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : নির্বাচনের আগেই বিজেপি জোটের ৬৮ প্রার্থী জয়ী! মহারাষ্ট্রে তদন্তের নির্দেশ কমিশনের

সেই সঙ্গে কমিশনের তরফে জানানো হয়, যাঁরা আঙুলের কালি মুছে দ্বিতীয়বার ভোট দিয়েছেন, তাঁদের আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে। কিন্তু কোথায় বা কারা এই কাজ করেছেন, তাঁদের কীভাবে আইনের আওতায় আনবে মহারাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশন, তা স্পষ্ট করতে পারেননি বাগমারে।

–

–

–

–

–


