লাগাতার হাতির তাণ্ডবে (elephant attack) বিধ্বস্ত বাঁকুড়ার বড়জোড়া রেঞ্জের সংগ্রামপুর বিট অফিসের অন্তর্গত গোস্বামীপুর গ্রাম। প্রশাসনের তরফে জারি করা হয়েছে সর্তকতা। বিঘার পর বিঘা আলু জমি, গম ও সরিষা সহ একাধিক ফসল তছনছ করে দিয়েছে হাতির দল। চাষিদের অভিযোগ, ধারদেনা করে চাষ করেছিলেন তাঁরা। লাগাতার চার মাস ধরে হাতির উৎপাতে সব ফসল শেষ। এখন আয় নেই। ঋণ শোধ করবেন কীভাবে, সেই চিন্তায় দিশেহারা পরিবারগুলি।

প্রায় ৩৬টি হাতির দল বড়জোড়া এলাকায় ঢুকে পড়েছে বলে জানিয়েছে বন দফতর। সোমবার রাত থেকে হাতির দলের প্রবেশের পর থেকেই সজাগ বন দফতর। ভোর থেকেই হুলাপার্টি দিয়ে হাতির দলকে জঙ্গলে ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল বন দফতর। জঙ্গলে এই কাজ কঠিন হওয়া সত্ত্বেও এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করছে বন দফতর। এর মধ্যে প্রায় ২৪টি হাতি লোকালয় এলাকায় ঢুকে পড়ায় সেগুলিকে তাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে বন দফতরের পক্ষে। আরও পড়ুন: শীতের জামা গুটিয়ে রাখার পালা! বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

জানা গিয়েছে, উত্তর বনবিভাগের বড়জোড়া রেঞ্জের বনশোল এলাকায় ২টি, সাহারজোড়ার জঙ্গলে ২টি, বেলিয়াতোড় রেঞ্জের রসিকনগর জঙ্গলে ১টি, লাদুনিয়ার জঙ্গলে ২টি, কাঁটাবেশিয়ার জঙ্গলে ১১টি এবং সোনামুখী রেঞ্জের রানীবাঁধের জঙ্গলে ৪টি হাতি থেকে গিয়েছে। সরকারি তরফে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও তা খুবই সামান্য বলে অভিযোগ তাঁদের।

তাঁদের দাবি,যে পরিমানে ক্ষতি হয়েছে তার তুলনায় যে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে তা খুবই সামান্য। তবে শুধু গোস্বামীপুর নয়, আশপাশের একাধিক গ্রামেও একই পরিস্থিতি। লাগাতার হাতির হামলায় চাষিরা পথে বসার মুখে। অবিলম্বে স্থায়ী ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রশাসনের তরফে গ্রামবাসীদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

–

–

–

–

–

–


