দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রোজ ভ্যালি কাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া গতি পেল। রোজ ভ্যালি অ্যাসেটস ডিসপোজাল কমিটি (এডিসি) জানিয়েছে, ১২তম, ১৩তম এবং ১৪তম ধাপে মোট ২৯ কোটি ২৮ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮৯৭ টাকা ফেরানোর কাজ শুরু হয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে আমানতকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং বর্তমানে তা পুরোদমে চলছে।

এডিসি সূত্রে খবর, এই তিন দফায় মোট ৭৩ হাজার ৬২৬টি দাবি খতিয়ে দেখা হয়েছিল। তার মধ্যে ৪২ হাজার ১৬৪টি দাবি সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে এবং তাঁদেরই টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৩১ হাজার ৪৬২টি দাবি অসম্পূর্ণ বা নথিপত্রে ভুল থাকার কারণে এই পর্যায়ে বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি। তবে যাঁদের নথিতে ভুল রয়েছে, তাঁদের হতাশ হওয়ার কারণ নেই। সংশ্লিষ্ট আমানতকারীদের মোবাইলে এসএমএস মারফত একটি লিঙ্ক পাঠানো হয়েছে, যার মাধ্যমে তাঁরা নথিপত্র সংশোধন করে পুনরায় আপলোড করতে পারবেন। সংশোধিত এই আবেদনগুলি পরবর্তী পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই দফায় আমানতকারীরা তাঁদের দাবির বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত হাতে পাচ্ছেন। মূলত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যাঁরা আবেদন করেছিলেন এবং যাঁদের নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে, তাঁদেরই তালিকায় রাখা হয়েছে। আমানতকারীদের সতর্ক করে এডিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশে রোজ ভ্যালির সম্পত্তি বিক্রির একমাত্র বৈধ উপায় হলো সেবির মাধ্যমে ই-অকশন বা ইলেকট্রনিক নিলাম। এর বাইরে অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংস্থাকে সম্পত্তি বিক্রির অধিকার দেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে বাজারে কোনও বিভ্রান্তিকর প্রচার বা গুজবে কান না দেওয়ার জন্য আমানতকারীদের অনুরোধ করেছেন কমিটির চেয়ারম্যান প্রাক্তন বিচারপতি ডি কে শেঠ। তিনি আরও জানান, সঠিক তথ্য ও নথিপত্র জমা দিলে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের দ্রুত টাকা ফেরাতে সুবিধা হবে।

আরও পড়ুন- শীতের শহরে রহস্যের হাতছানি! ‘সোনার কেল্লা’ দিয়েই নন্দনে শুরু হচ্ছে শিশু চলচ্চিত্র উৎসব

_

_

_

_

_

_
_


