অবশেষে অপসারিত হলেন রাজগঞ্জের ‘বিতর্কিত’ বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। সল্টলেক দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে জড়িত ছিলেন প্রশান্ত। সোমবার এই মামলার শুনানিতে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তারপর দিনই মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে প্রশান্ত বর্মণকে অপসারণের নোটিশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এদিন রাজগঞ্জের বিডিও হিসেবে কাজ শুরু করলেন সৌরভকান্তি মণ্ডল। তাঁর সঙ্গে দেখা করে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসেন রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়।

প্রসঙ্গত, দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে বিডিও প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে নিহতের পরিবার। তদন্তে নেমে পুলিশ খুনের সঙ্গে বিডিওর সরাসরি যোগ থাকার অনেক প্রমাণ পায়। কিন্তু কোনওভাবে বিডিওকে হাতের নাগালে পায় না পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় একাধিক প্রশান্ত বর্মণের ঘনিষ্ঠ সঙ্গীদের। এরপরেই প্রথমে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন প্রশান্ত বর্মণ এবং নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি। সেই আবেদন মঞ্জুর হলে আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিধাননগর পুলিশ। খারিজ হয়ে যায় বারাসত আদালতের নির্দেশ। বিচারপতি নির্দেশ দেন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের। কিন্তু তারপর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে প্রশান্ত বর্মণ। কিন্তু সেখানেই তাঁকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিল বিচারপতি রাজেশ বিন্দল এবং বিচারপতি বিজয় বিষণইের বেঞ্চ। আগামী শুক্রবার, ২৩ শে জানুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। স্থানীয় আদালতে, যেখানে এই মামলা বিচারাধীন, সেখানেই তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারপর অবশ্য তিনি জামিনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আরও পড়ুন: ফের বন্ধ হাওড়ার জুট মিল! কর্মহীন ৪০০০ শ্রমিক

প্রসঙ্গত, নিউটাউনের যাত্রাগাছি থেকে গত ২৯ অক্টোবর উদ্ধার হয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ। ৩১ তারিখ পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় বিডিও প্রশান্ত বর্মণ এবং তাঁর কয়েকজন সঙ্গীর বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অপহরণ ও খুনের অভিযোগ দায়ের করেন।

–

–

–

–

–

–

–


