সুপ্রিম কোর্টে চরম হেনস্থার মুখে নির্বাচন কমিশন। সৌজন্যে বাংলা। কতখানি ভুল পথে ও অপরিকল্পিতভাবে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া চালালো হচ্ছে তা প্রমাণিত হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে। তিনদিনের মধ্যে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির (logical discrepancy) তালিকা প্রকাশের ডেডলাইন শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের মুখে কালি লেপা ঠেকাতে প্রতি আক্রমণের পথে কমিশন। রাজ্যের যে চার আধিকারিক (government officials) কমিশনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দুষ্ট, তাঁদের নিয়ে রাজ্যের উপর চাপ বাড়ানোর পথে হাঁটল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করে অভিযুক্ত চার আধিকারিক। তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত বিভাগীয় পদক্ষেপ চূড়ান্ত করতে নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারের কাছে জরুরি ভিত্তিতে রিপোর্ট তলব করেছে। রাজ্যের মুখ্যসচিবের (Chief Secretary) কাছে কমিশন (Election Commission) ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি বিকেল পাঁচটার মধ্যে চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে গৃহীত বিভাগীয় মামলার সম্পূর্ণ নথি কমিশনে জমা দিতে হবে বলে কমিশনের পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে অনিয়মের অভিযোগে বারুইপুর পূর্বের ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, এইআরও তথাগত মণ্ডল, ময়না বিধানসভার ইআরও বিপ্লব সরকার এবং এইআরও সুদীপ্ত দাসের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের সুপারিশ করেছিল কমিশন।

আরও পড়ুন : SIR প্রক্রিয়া সরলীকরণ ও সময়সীমা বৃদ্ধির দাবি! কমিশনের দ্বারস্থ বিডিও সংগঠন

কবে প্রকাশিত হবে কমিশনের লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির চূড়ান্ত তালিকা, কবে থেকে নথি জমা দিয়ে রিসিপ্ট পাবেন ভোটাররা, তা নিয়ে এখনও কোনও পদক্ষেপ কমিশনের তরফে দেখা যায়নি। যথারীতি প্রতিদিনের হয়রানির শিকার বাংলার মানুষ। এই পরিস্থিতিতে কমিশন রাজ্য প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছে, কোন দফতর বা আধিকারিক কমিশনের নির্দেশ মানেনি এবং কেন বাধ্যতামূলক পরামর্শের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। পাশাপাশি চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার চার্জশিট, আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য, তদন্ত রিপোর্ট, চূড়ান্ত আদেশ ও সংশ্লিষ্ট ফাইল নোটিং সহ সমস্ত নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।

–

–

–

–

–

–


