বাড়ছে মৃত্যুমিছিল। শুনানির নোটিশ (SIR death) পেয়ে ফের একইদিনে এল চার মৃত্যুর খবর। এঁদের দু’জন আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি, পশ্চিম মেদিনীপুরের কাঁথি, মুর্শিদাবাদের বড়ঞা। গোটা পরিবার শুনানিতে ডাক পাওয়ায় আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় কাঁথির বছর ৫৭-র শামসুন বিবির। সম্প্রতি তাঁর দুই ছেলে এবং এক মেয়ের নামে শুনানির নোটিশ আসে। তারপর থেকেই দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়েই বৃহস্পতিবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে পৌঁছান পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তরুণ জানা। বিজেপি এবং কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এই হয়রানির জবাব মানুষ বিজেপিকে দেবে। একইভাবে নোটিশ পাওয়ার পর আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় মুর্শিদাবাদের বড়ঞার বিএলএ-২ জাহাঙ্গির শেখের। আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ে ইস্পাত কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কর্মীদের দেহাংশ

এছাড়াও কুলপি এবং ইটাহার থেকে এসেছে আতঙ্কে আত্মঘাতী হওয়ার খবর। ছেলেদের নামে শুনানির নোটিশ আসায় আতঙ্কে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হন কুলপির খালেদা বিবি (৫০)। ইটাহারে স্ত্রীর নামে শুনানির নোটিশ পেয়ে আতঙ্কে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন মুরালিপুকুরের চাঁদু সরকার। পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চাঁদুর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি বাগানের গাছের ডালে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। মৃত্যুর খবর পৌঁছাতেই ইটাহার হাইস্কুলে চলা এসআইআর হিয়ারিং ক্যাম্পে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় শুনানি। খবর পেয়ে আসেন স্থানীয় বিধায়ক মোশারফ হোসেন। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা মৃতদেহ নিয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের চৌরাস্তা মোড় এলাকায় বিক্ষোভ ও পথ অবরোধ শুরু করেন।

–

–

–

–

–

–

–

–


