সন্তোষ ট্রফিতে(Santosh Trophy) রাজস্থানকে ১-০ গোলে হারাল বাংলা (Bengal)। তিন ম্যাচ জিতে শেষ আটে স্থান নিশ্চিত বঙ্গ ব্রিগেডের। উত্তরাখণ্ড ম্যাচের মতোই রাজস্থান ম্যাচেও জয় নিশ্চিত হল একেবারে শেষ মুহূর্তে।

অসমের ঢকুয়াখানার বিষ্ণুরাম দোলে স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এই ম্যাচে গোড়ালিতে হালকা চোটের কারণে প্রথম এগারোয় ছিলেন না বাংলার আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার উত্তম হাঁসদা। রবিবাসরীয় দুপুরে প্রতিপক্ষের পাসিং ফুটবলকে নষ্ট করে প্রতি আক্রমণে গিয়ে খেলার নীতি নিয়েছিলেন রবি হাঁসদা, করণ রাইরা। কিন্তু মরু রাজ্যের ডিফেন্সে ফাটল ধরানো যায়নি। ফলে প্রথম ৪৫ মিনিট গোলশূন্য থাকে। বেশ কয়েকবার বাংলার গোলরক্ষক সোমনাথ দত্তকে পরীক্ষার মুখেও পড়তে হয়। কিন্ত সোমনাথ কোনও ভুল করেননি ফলে বাংলা(bengal) গোল হজম করেনি।

খেলা বহুক্ষণ গোলশূন্য থাকার পর বেঞ্চ থেকে সায়নকে নামান সঞ্জয়, তাঁর একটা চালেই বদলে গেল ম্যাচের ভাগ্য। ৮৯ মিনিটে সায়ন ব্যানার্জি একমাত্র গোলটি করেন। যদিও রাজস্থানের গোলরক্ষক মোহিত শিখওয়াল পুরো ম্যাচজুড়ে অসাধারণ দৃঢ়তা দেখিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন। তিন ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল বাংলা। সঞ্জয় সেনের দল কোনও গোল খায়নি।

সিলাপাথারের রাজীব গান্ধী স্পোর্টস কমপ্লেক্সে, গ্রুপের অপর ম্যাচে আয়োজক অসম ১-১ গোলে ড্র করলো উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে। ম্যাচের ৮ মিনিটে নির্মল সিং বিস্তের গোলে উত্তরাখণ্ড এগিয়ে গেলেও ৬৮ মিনিটে দীপু গোহাইনের গোলে সমতা ফিরিয়ে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে অসম। অবশ্য উত্তরাখণ্ডের নির্মল সিং বিস্তকেই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত করা হয়।

–

–

–

–

–

–


