পেরিয়ে গিয়েছে শনিবারের ডেডলাইন। সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া ডেডলাইন মেনে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির (logical discrepancy) তালিকা প্রকাশ করে ব্যর্থ কমিশন, স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। রাত দশটায় সেই তালিকা ওয়েবসাইটে (website) আপলোডের দাবি করেছে কমিশন। অথচ রবিবার সকালেও কোথাও নেই লজিক্যাল ডেসক্রিপেন্সির তালিকা। শনিবার এনিয়ে তোপ দেগেছিলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। রবিবার সাধারণ মানুষের কাছে অদৃশ্য তালিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা (Shashi Panja)।

ভোটার তালিকা সংশোধন করতে গিয়ে যাদের নামে বা অন্যান্য পরিচয়ে সমস্যা হয়েছে কমিশন (Election Commission) তাঁদের লজিক্যাল ডেসক্রিপেন্সি নামে এক অভূতপূর্ব তালিকায় ফেলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সেই তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল তিন দিনের মধ্যে। শনিবার রাজ্যের কয়েকটি জায়গায় বিডিও অফিসে ‘ভুল করে’ তালিকা টাঙানো হয়েছিল। কিন্তু তারপর খুলে ফেলা হয়। জানানো হয় দিল্লি থেকে নির্দেশ না এলে টাঙানো যাবে না।

দিল্লি থেকে সেই নির্দেশ এল রাত দশটায়। কমিশনের ওয়েবসাইটে নাকি দিল্লি থেকে সেই তালিকা পাঠানো হয়েছে। অথচ রবিবারও ইসিআই ডট নেট ওয়েবসাইটে (eci.net website) কোথাও নেই সেই তালিকা। কমিশন সূত্রে খবর, তালিকা (logical discrepancy list) পাবেন ইআরও, এইআরও পদমর্যাদার আধিকারিকরা। তাঁরাই সরকারি আধিকারিকদের মাধ্যমে পঞ্চায়েত অফিসে, পুরসভায় তা টাঙিয়ে দেবেন।

আরও পড়ুন : লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি- আনম্যাপড ভোটার দেড় কোটির বেশি! রাত সাড়ে ৯টার পর তালিকা প্রকাশ কমিশনের

এসআইআর প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করার জন্য লজিক্যাল ডেসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। যাতে সাধারণ মানুষ জানতে পারেন কিসের জন্য তাদের শুনানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অথচ নির্বাচন কমিশন এমনভাবে সেই তালিকা প্রকাশ করল যা সাধারণ মানুষের দৃষ্টিগোচরই হল না রবিবার পর্যন্ত। মন্ত্রী শশী পাঁজার প্রশ্ন, ওয়েবসাইটে কোথায় তালিকা? আমি তো কোথাও পেলাম না। শোনা যাচ্ছে ইআরও-দের কাছে নাকি পাঠানো হয়েছে। তারাও তো কোথাও তালিকা প্রকাশ করছেন না। আদতে সবটাই বাংলার ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত।

–

–

–

–

–


