আনন্দপুরের জোড়া গোডাউন অগ্নিকাণ্ডে (Massive Fire in Anandapur) এখনও চলছে উদ্ধার কাজ। বুধবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১-তে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে এদিন উদ্ধার আরও চারজনের আধপোড়া দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। সরকারিভাবে এখনও নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ১৭। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁদের দেহাংশগুলিকে কাঁটাপুকুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে এখনও বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যা। ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে ডেকোরেটার্স ব্যবসায়ী গঙ্গাধর দাসকে (৫৯)।

বুধবার প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, শুরুতে আগুন লাগে ডেকরেটার্সের গুদামে। সেই সময় ভিতরে ছিলেন অনেকেই। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কেউ কেউ ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন আবার কেউ গুদামের মধ্যে টুকিটাকি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ফলে আগুন লাগার পরে বেশ কয়েকজন বাইরে বেরোতে পারলেও আটকে পড়েন অনেকেই। আগুন নেভানোর পর যেসব জায়গা থেকে দেহাংশ পাওয়া যাচ্ছে তার সূত্র ধরেই অনুমান করা হচ্ছে বলে পুলিশ ও ফরেন্সিক সূত্রে খবর। আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী কথা রেখেছেন: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সূচনায় আপ্লুত দেব, মমতার ভূয়সী প্রশংসা

তবে অনেকের মতে, পাশাপাশি গোডাউন দুটি দাহ্যপদার্থে ভরা ছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণেরও কোনও ব্যবস্থা ছিল না। ফলে খুব সহজেই আগুন হু-হু করে ছড়িয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত, মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করতে ইতিমধ্যেই পরিবার পিছু ১০ লক্ষ করে টাকা এবং চাকরির ব্যবস্থা করবেন বলে ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে গিয়ে ঘটনার যথাযথ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

–

–

–

–

–

–

–

