মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনে শিক্ষকদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে ছাড় এবং পরীক্ষার কাজে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মধ্যশিক্ষা(West Bengal Board of Secondary Education) পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) নির্দেশ দিলেন। ২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যজুড়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু। প্রায় দশ লক্ষ পড়ুয়া এবার পরীক্ষায় বসবে। এসআইআর আবহে সুষ্ঠ ও শৃঙ্খলাপরায়ণ ভাবে চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পন্ন করতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন চলছে। বিএলও পদে নিযুক্ত বহু শিক্ষক-শিক্ষিকা মাধ্যমিক পরীক্ষার নজরদারির কাজে যুক্ত। অতএব পরীক্ষার দিনগুলোতে এই শিক্ষকদের স্কুলে উপস্থিতি পর্ষদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকরা সরাসরি পরীক্ষার পরিচালনা, নজরদারি এবং প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন। এমতাবস্থায় রাজ্যের ২৩টি জেলার মাধ্যমিক শিক্ষকরা যাতে পরীক্ষার দিনগুলোয় বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত বিএলও-র দায়িত্ব থেকে বিরত থাকতে পারেন, সেই বিষয়টা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শিক্ষকদের নির্বাচনী কাজে এমন ভাবে নিযুক্ত করতে হবে যাতে তাঁদের পেশাগত ক্ষেত্রে কোনও ক্ষতি না হয়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, শিক্ষকদের ছুটির দিনে বা অবসর সময়েই বিএলও-দের কাজে লাগানো উচিত।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী রায়ের ভিত্তিতেই পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন ২ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষার দিনগুলোতে শিক্ষকদের স্বাভাবিক কাজ কোনভাবেই ব্যহত করা যাবে না। শিক্ষকদের মাধ্যমিক চলাকালীন শুধুমাত্র ছুটির দিনে বা পরীক্ষার সময়ের পরে নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করতে জেলা প্রশাসনকে আবেদন করা হয়েছে। এই নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ও স্কুলশিক্ষা দফতরের প্রধান সচিব সহ সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে।

–

–

–

–

–



