রাজ্যে এসআইআর নিয়ে সাধারণ মানুষের হয়রানি আর ভোগান্তির শেষ নেই! এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন থেকে কবি-সাহিত্যিক জয় গোস্বামী। শুনানি আতঙ্কে প্রাণ হারাচ্ছেন একের পর এক সাধারণ নাগরিক। এই চাপানউতোরের মধ্যে ফের এসআইআর শুনানিতে (SIR hearing notice) ডাক পেলেন ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (TMC MLA Humayun Kabir) তথা প্রাক্তন আইপিএস। এক ফেসবুক পোস্টে নিজেই সেকথা জানিয়েছেন বিধায়ক।

শুনানিতে ডাক পাওয়ার কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল হুমায়ুন কবীরের। কারণ সেইসময়ে ইউনাইটেড নেশানে ইউরোপে কাজে ছিলেন প্রাক্তন আইপিএস। তাঁর সেখানকার সার্ভিস রেকর্ডও রয়েছে। হুমায়ুন কবীরের বর্তমানে তাঁর কাছে পার্সপোর্ট,প্যান কার্ড থাকলেও তাঁকে অযথা হেনস্থা করা হচ্ছে। শুক্রবার ডিপিএস রুবি পার্ক স্কুলে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে যেতে হবে তাঁকে। এদিন তিনি তাঁর পেনশন বুক, বিধায়ক আইডেনটিটি কার্ড এবং আইপিএস হিসেবে নিয়োগের প্রমানপত্র সঙ্গে নিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষের সুরে তিনি লেখেন, “এবার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারি কিনা দেখি।” আরও পড়ুন: ভোটারদের শুনানি নথি আপলোডে ‘ইচ্ছাকৃত ভুল’ বরদাস্ত নয়, শাস্তি দেবে কমিশন!

বিধায়ক আরও জানিয়েছেন, আজ তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র ডেবরায় একাধিক কর্মসূচী ছিল। কিন্তু তাঁকে সব বাতিল করে শুনানিতে যেতে হচ্ছে। এই হেনস্থার প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের অপরিকল্পিতভাবে করা এই এসআইআরের বিরুদ্ধে বারবার সরব হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিকবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন মমতা। প্রতিবাদে সামিল হয়ে পথে নেমেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলের শীর্ষ নেতা, মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু তাতে কোনও হেলদোল দেখায়নি নির্বাচন কমিশন।

–

–

–

–

–

–

–


