আইপ্যাক অফিসে ইডি হানার ঘটনায় (ED raid in ipac office) মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) পর্যন্ত। গত ১৫ জানুয়ারি সব পক্ষকে নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চ। পাশাপাশি আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি, অফিস ও আশপাশের এলাকার সব ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে বলেও জানায় শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। আজ সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত হয়ে তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নিয়েছেন বলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে। রাজ্যের আইনজীবীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন নির্বাচনী নথি চুরি হওয়া আটকাতেই দলীয় কাগজপত্র নিয়ে এসেছেন মমতা। গত শুনানিতে বিচারপতি মিশ্র স্পষ্ট বলেন, যেকোনও দলের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার অধিকার এজেন্সির নেই। আইন সংগতভাবে তদন্ত হলে দলীয় স্বার্থের কথা বলে তাকে ব্যাহত করা যাবে না। এই মামলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এতে অনেক সংগত প্রশ্ন রয়েছে। মীমাংসা না হলে ভবিষ্যতে আইনের শাসন ভেঙে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতিরা। পাশাপাশি ইডি (ED ) আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা ৪ এফআইআরের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ এই মামলার দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

–

–

–

–

–

–

–

–


