বাজেটের পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাজেটের অর্থনৈতিক দিকগুলি ব্যাখ্যা করলেন রাজ্যের মুখ্য অর্থ উপদেষ্টা অমিত মিত্র (Amit Mitra)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি জানান, রাজ্য বাজেটের পরিমাণ ৪ লক্ষ ৩৫কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছে, ২০১০ সালে ছিল ৮৪ হাজার ৮০৩। বাজেটের জন্য রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। জিএসটি ১৮.ফিস্কাল ডেফিসিট ৫ ৪.২ শতাংশ।

এদিন অমিত মিত্র বলেন, ‘’ধার আমরা নিচ্ছি। কিন্তু সেটা মানুষের উন্নয়নের জন্য, তাঁদের জন্য সম্পদ তৈরি করতে ব্যয় করা হচ্ছে। আমরা এফআরবিএম এর নিয়ম মেনে চলেছি, যেই আর্থিক শৃঙ্খলা কেন্দ্রও মানে না। বামেদের রেখে যাওয়া দেনার আড়াই লক্ষ কোটি আসল এবং সুদ আমরা শোধ করেছি।” এই পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ”কেন্দ্র আমাদের বকেয়া ২ লক্ষ কোটি টাকা দিলে রাজ্য আরও এগিয়ে যাবে। মনে রাখবেন, আমরা কিন্তু আর্থিক শৃঙ্খলা মেনে চলছি, কেন্দ্র মানে না!” আরও পড়ুন: বাংলার যুব সাথী: বাংলার যুবদের জন্য নয়া প্রকল্প ঘোষণা, কত টাকা মিলবে

অমিত মিত্র আরও বলেন, ২০১০-১১ অর্থবর্ষের তুলনায় রাজ্যের মোট বাজেট বরাদ্দ বেড়েছে পাঁচ গুণ। রাজ্যের নিজস্ব কর অর্থাৎ ওন ট্যাক্স আদায়ের পরিমান ছ’ গুণ বাড়াতে পেরেছে সরকার। বাম আমলের সঙ্গে তুলনা করলে পরিকাঠামো উন্নয়নে রাজ্য সবমিলিয়ে সাড়ে ১৮ গুণ এগিয়েছে। কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন ক্ষেত্রেও রাজ্যের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। এই মর্মে অমিত মিত্র জানান, ”এই দুই ক্ষেত্রে উন্নয়নের হার আগের তুলনায় ১৩ গুণ বেড়েছে। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের ক্ষেত্রেও উন্নয়ন হয়েছে প্রায় ১৮ গুণ।” রাজ্যের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানানো হল রাজ্যে বেকারত্ব কমেছে ৪৫.৬৫ শতাংশ। পাশাপাশি প্রায় ১ কোটি ৭২ লক্ষ মানুষকে দারিদ্রসীমার বাইরে আনা সম্ভব হয়েছে। বলেন, “জিএসডিপি ৫ শতাংশ বৃদ্ধির আশা রয়েছে। মূলধনী খাতে বেড়েছে ১৮ গুণ। সামাজিক পরিষেবা বাড়ল ১৮ গুণ, প্রায় ১ লক্ষ ২৯ হাজার কোটি টাকা। পরিকাঠামো খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ১০ গুণ। রাজস্ব ঘাটতি ৪.৪ শতাংশ। ২.২ শতাংশে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। সম্পদ বৃদ্ধিতে ৪৫ শতাংশ ব্যয়।”

–

–

–

–

–

–

–


