দেশের গণতন্ত্র রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন ‘যেমন খুশি সাজো’-র মঞ্চ হয়ে উঠেছে। বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে এমন কোনও কাজ নেই যে তারা করতে পারে না। এহেন কমিশনের কাণ্ডকারখানায় প্রতিনিয়ত মানুষকে বিপর্যস্ত হতে হচ্ছে। বিজেপির সাজানো ‘জোকার’ জ্ঞানেশ কুমারের এই অত্যাচার বাংলার মানুষ ক্ষমা করবে না। নির্বাচন কমিশনের পাহাড়সম এই অপরাধের শাস্তি জনগণই দেবে। এই পরিস্থিতিতে জ্ঞানেশ কুমারকে ‘যেমন খুশির সাজো’র ‘টেলার স্যার’ চরিত্রে বসানো হয়েছে। তিনি এসআইআরে নাম কেটে ভোটার তালিকা ‘জুড়তে’ ব্যস্ত।

বিজেপির সুবিধা করার জন্য কমিশন অপরিকল্পিত এসআইআরের নামে বারবার নিজেদের গড়া নিয়ম বদল করছে, পরীক্ষা না করেই ভুল সফটওয়্যার ও অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ১.৪ কোটি বৈধ ভোটারের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ফন্দি আঁটছে। এর ফলে শুধু সাধারণ ভোটাররাই নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত সরকারি আধিকারিকরাও বিভ্রান্ত হয়েছেন। তাঁদেরকে হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ পাঠিয়ে কার্যত বেআইনিভাবে কাজ করিয়েছে কমিশন। এই ধরনের অজস্র অপরাধের শাস্তি তাদের পেতে হবে। আর জনগণই গণতান্ত্রিকভাবে সেই শাস্তি দেবে বিজেপি ও তাদের কমিশনকে।

বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়াটি স্বেচ্ছাচারিতার পর্যায়ে নিয়ে চলে গিয়েছে কমিশন। এই কাজে কর্তৃপক্ষকে রাবার স্ট্যাম্পে পরিণত করা হয়েছে। তাদের ক্ষমতাহীন মধ্যস্থতাকারী করে তোলা হয়েছে। কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন আদেশগুলোর কোনওটিই জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি। ডেডিকেটেড হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মৌখিকভাবে নির্দেশ জারি করে গিয়েছে শুধু। সেই আদেশগুলি সাধারণ নাগরিকদের উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে। তাদের পরিচয়, ভোটাধিকার এবং নাগরিকত্বকে অযথা ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

আরও পড়ুন- ৭০ দিনে ১০ লক্ষ মানুষকে পরিষেবা, নজির গড়ল রাজ্যের ভ্রাম্যমাণ ইউনিট ‘স্বাস্থ্যবন্ধু’

_

_

_

_

_

_
_

