কতদিন হয়নি দেখা। সেই যে দলীয় বৈঠকে কল্যাণ এবং মহুয়ার রেষারেষি, কটাক্ষ টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল তারপর থেকে কোনও ক্যামেরাতেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা মহুয়া মৈত্রকে এক ফ্রেমে দেখা যায়নি। দু’জনেই একে অপরকে এড়িয়ে চলতেন। ঘনিষ্ঠ মহলে বিষোদ্গারও করতেন। কিন্তু দলীয় সাংসদ সাগরিকা ঘোষের মেয়ের বিয়ে মিলিয়ে দিল দুই ‘যুযুধান’ তৃণমূল সাংসদকে। রিসেপশনে চলছিল ছবি তোলা। একে অপরের সঙ্গে হালকা মেজাজে কথাও হচ্ছিল। একে একে অনেকেই আসছিলেন। মুখোমুখি হতে সিনিয়র সাংসদ কল্যাণ হাত বাড়িয়ে দেন মহুয়ার দিকে। মহুয়াও কোনওরকম দেরি না করে হাতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন রাগ গলে জল। দূরত্ব কোথায়! সমস্ত মতবিরোধ সাগরিকার বাড়িতেই যেন সমাপ্তি।

তবে কী এবার থেকে পাশাপাশি দেখা যাবে দু’জনকে? এমনি নিশ্চয়তা অবশ্য দেওয়া যাচ্ছে না। তার কারণ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মুডি, মেজাজি, খামখেয়ালি এবং আগেবসর্বস্ব একজন মানুষ কল্যাণ। ফলে তিনি নিজেও জানেন না। বরং এক্ষেত্রেও সুমনের ওই গানের লাইটাই যথার্থ— কখন কি ঘটে যায় কিচ্ছু বলা যায় না। কিন্তু যতক্ষণ না আরও কিছু ঘটছে ততক্ষণ বলা যায় দু’জনাই কাছাকাছি এসেছেন।

আরও পড়ুন- কমিশন যেন ‘যেমন খুশি সাজো’র মঞ্চ, কমিশনার ‘টেলার স্যার’

_

_

_

_

_

_

_
_

