যাবজ্জীবন সাজা ছিল ধর্ষকের (Rapist)। গান্ধীজিকে নিয়ে প্রবন্ধ লেখায় কমে গেল সাজা। অপরাধের গুরুত্ব অস্বীকার না করে বম্বে হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছে, ন্যূনতম ১০ বছরের সাজা যথেষ্ট নয়। বিচারপতিদের মতে, “অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় ১২ বছরের কারাদণ্ডই ন্যায়বিচারের স্বার্থ রক্ষা করবে।” বিচারপতি সারং কোটওয়াল ও বিচারপতি সন্দেশ পাতিলের ডিভিশন বেঞ্চ (Division Bench of Justice Sarang Kotwal and Justice Sandesh Patil) ২ ফেব্রুয়ারি এই রায় দেয়।

৫ বছরের নাবালিকাকে যৌন অত্যাচারে দোষী সাব্যস্ত হন ২০ বছরের যুবক। পকসো আদালতের বিচারে ভুল নেই বলে জানিয়ে দোষীর সাজা কমিয়ে দিল বম্বে হাই কোর্ট (Bombay High Court)। কারণ জেলে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ভালো ফল করেছেন তিনি। পুণের তিলক মহারাষ্ট্র বিদ্যাপীঠ থেকে গ্রন্থ সমালোচনায় শংসাপত্র পেয়েছেন এই দোষী। মুম্বইয়ের রামচন্দ্র প্রতিষ্ঠান থেকে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় লেখালেখি করে শংসাপত্র পেয়েছেন। তার পর মুম্বই সর্বোদয় মণ্ডল সংগঠন একটি শংসাপত্র দিয়েছে আসামিকে। যেখানে তিনি মহাত্মা গান্ধীর বিচার এবং চিন্তাধারা নিয়ে দীর্ঘ লেখালেখি করেছেন। একটি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। তাতে সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর বাড়িতে জল নিতে গিয়ে পাঁচ বছরের এক নাবালিকার উপর যৌন নিগ্রহের অভিযোগ ওঠে কালামুদ্দিন মহম্মদ ইস্তেয়ার আনসারি (Kalamuddin Muhammad Istair Ansari) ওরফে কোইলের বিরুদ্ধে। শিশুটি তার মাকে সমস্ত ঘটনা জানালে তার মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে দোষী সাব্যস্ত হয়। আইপিসির ৩৭৬ ধারা এবং পকসো আইনের ৬ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হয়।

–

–

–

–

–

–

–

