Wednesday, May 6, 2026

ভোটের হার পেরোলো না ৬০ শতাংশ: বাংলাদেশের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ কটাক্ষ হাসিনার

Date:

Share post:

বিপুল পরিমাণ মানুষকে বাংলাদেশের ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিতে যেমন দেখা গিয়েছে তেমনই বহু মানুষ যে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের দূরেই রেখেছেন, তার প্রমাণ ভোট দানের শতকরা হার। রাজধানী ঢাকা (Dhaka) শহর প্রায় বনধের চেহারা নিলেও নির্বাচনে ছাপ্পা ভোটের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের জনগণই। এরই মধ্যে ভোটদানের হার (vote percentage) কমে যাওয়াকে ভোট বয়কটেরই সামিল বলে দাবি করেছেন আওয়ামি লীগ (Awami League) প্রেসিডেন্ট তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে বরাবর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসক মহম্মদ ইউনূসের (Mohammed Yunus) সমালোচনায় সরব শেখ হাসিনা। বর্তমানে ভারতে আশ্রয় নেওয়া প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এভাবে ভোটদানে অংশ না নিয়ে দেশের মানুষ আদতে খুনি ফ্যাসিস্ট মহম্মদ ইউনূসের প্রহসনের নির্বাচনকে বাতিল করেছেন, বলে দাবি করেন।

এই নির্বাচনকে প্রহসন বলার পিছনে নিজের দলীয় সোশ্যাল মিডিয়া পেজে যে বক্তব্য জানান, তাতে পরিসংখ্যান তুলে দেন কীভাবে নির্বাচন শুরুর পর থেকে ভোটদানের হারের। যেখানে একদিকে সাড়ে তিন ঘণ্টায় ১৪.৯৬ শতাংশ ভোটদান দেখানো হয়েছিল নির্বাচনের শুরুতে। একই ধারা বজায় রেখে শুক্রবার যখন পূর্ণাঙ্গ ভোটের ফল প্রকাশিত হয়, সেখানেও দেখা যায় সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ।

নির্বাচনে নিষিদ্ধ ছিল আওয়ামি লীগ। ফলত, এই বিপুল সংখ্যক মানুষের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যোগ না দেওয়াকে আওয়ামি সমর্থকদের সাড়া হিসাবেই দেখছেন শেখ হাসিনা। সেখান থেকেই তিনি দাবি করেন, ভোটারবিহীন, বেআইনি ও অসাংবিধানিক এই নির্বাচন প্রত্যাহার করতে হবে। মহম্মদ ইউনূসকে পদত্যাগ করতে হবে। শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী থেকে রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোদের মুক্তি দিতে হবে ও মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। আওয়ামি লীগের (Awami League) উপর থেকে নিষেধ তুলে নিতে হবে। এর পরবর্তীতে আরও একবার স্বাধীন ও স্বচ্ছ নির্বাচন (free and fair election) করতে হবে।

আরও পড়ুন : নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সরকার গড়ার পথে বিএনপি, ‘তারেক ভাই’কে অভিনন্দন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর

বাংলাদেশ আওয়ামি লীগের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য রোকেয়া প্রাচী দাবি করেন, নির্বাচনের আগের রাতেই বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যালটে কারচুপি হয়ে যায়। যে কারণে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বহু ভোট কেন্দ্র ছিল ভোটারশূন্য। আবার বহু মানুষ ভোট দিতে গিয়ে দেখেন তাঁদের ভোট আগেই পড়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে ভোট বয়কট (vote boycott) করেছেন, তার প্রমাণ ভোটদানের সামগ্রিক হার কমে যাওয়া। এর ফলে আবার প্রমাণিত নৌকা ছাড়া ভোট হবে না।

Related articles

‘পদত্যাগ করুন পিয়া’, ইমপা সভাপতির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে পরিবর্তনের পক্ষে প্রযোজকরা!

বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে পরিবর্তন হতেই টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় এসে পড়ল তার ঝাপটা। লাইট -ক্যামেরা- অ্যাকশন জগতের ক্ষমতার অলিন্দেও এবার...

রণক্ষেত্র রাজবাড়ি! ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ন্যাজাটের ওসি 

ভোট পরবর্তী অশান্তি রুখতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হলেন ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসুন কর। মঙ্গলবার রাতে ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি...

মোদির ঐতিহাসিক জয়: অভিনন্দন ট্রাম্পের

বাংলার বিধানসভা নির্বাচন যে গোটা বিশ্বের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, তা গত একমাসের আন্তর্জাতিক পত্র পত্রিকাগুলির প্রতিবেদনে প্রকাশিত...

বিএসএফ সদর দফতরের সামনে তীব্র বিস্ফোরণ, জলন্ধরে চাঞ্চল্য

জলন্ধরে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর পাঞ্জাব ফ্রন্টিয়ার সদর দফতরের বাইরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি বাইকে বিস্ফোরণ ঘটে। রাত ৮টা...