সুপ্রিম কোর্টের(supreme court) নির্দেশের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনকে মাইক্রো অবজার্ভার পদে নিয়োগের জন্য ৮,৫০৫ জন আধিকারিকের তালিকা দিলেও এখনও পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে প্রায় ৬,৩০০ জন কাজে যোগ দিয়েছেন বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছ। যাদের নাম পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে প্রায় ৪০০ জন ইতিমধ্যেই এইআরও পদে নিযুক্ত রয়েছেন বলে দেখা যাওয়ায় নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে। এমত অবস্থায় রাজ্য সরকারের দেওয়া তালিকা থেকে ঠিক কতজন আধিকারিক এইআরও পদে নিযুক্ত রয়েছেন, তার বিস্তারিত রিপোর্ট অবিলম্বে জমা দিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬ জেলা সেই রিপোর্ট পাঠিয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল, সেখানে এআরও পদে একজনও আধিকারিক নিযুক্ত নন। কিন্তু সিইও দফতর সেই রিপোর্ট পাওয়ার পর পুনরায় যাচাই করে দেখে, আলিপুরদুয়ার জেলার তালিকায় কয়েকজন আধিকারিকের নাম রয়েছে, যাঁরা ইতিমধ্যেই এআরও পদে নিযুক্ত। এর পরেই রিপোর্টের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে প্রশাসনিক মহলে।

কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত, এসআইআর শুরুর আগে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে তাদের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। সেই পরিস্থিতিতে তালিকায় ‘শূন্য’ দেখিয়ে রিপোর্ট পাঠানো হলেও কমিশনের পর্যবেক্ষণে ভিন্ন তথ্য উঠে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি হয়েছে।
হাতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি, তার পরেই এসআইআর শুনানির কাজ শেষ হওয়ার কথা। তার মধ্যেই রাজ্য সরকারের পাঠানো তালিকা ঘিরে এই অসঙ্গতি সামনে আসায় নির্বাচন কমিশনের কাছে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলের অভিমত। আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা নিয়েও এর ফলে প্রশ্ন উঠতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

–

–

–

–

–

–

–

–


