দীর্ঘ টালবাহানার পরে অবশেষে নতুন সরকার গঠনের পথে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নিরিখে তাই সুসম্পর্ক স্থাপনের কাজটা আগেভাগেই সেরে ফেললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ভাবী বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে শুভেচ্ছা জ্ঞাপনও সাত তাড়াতাড়ি সম্পন্ন। তবে তাতে যে শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) প্রসঙ্গে বিএনপি (BNP) তাঁদের অবস্থান থেকে সরে আসছে না, তাও স্পষ্ট করে দেওয়া হল দলের তরফ থেকে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে (extradition) বিচারের মুখোমুখি হোন, বার্তা বিএনপি-র।

বিএনপি-র জয় নিশ্চিত বুঝেই তারেক রহমানকে (Tarique Rahman) শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিকাল গড়ানোর আগেই তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি। জানান, দুজনের মধ্যে খুব ভালো কথা হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ভারতের তরফ থেকে সহযোগিতার বার্তা দেন তিনি। দুই প্রতিবেশী দেশের যে বহু প্রাচীন সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক মিল রয়েছে তার ভিত্তিতে দুই দেশেরই শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে ভারতের যোগদানের বার্তা দেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি ও তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানোর পরই বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ (Awami League) প্রধান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) প্রত্যর্পণের (extradition) প্রশ্ন উঠে আসে। তারেক রহমানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা বার্তা একটি খুব সাধারণ প্রক্রিয়া, ঠিক যেমনটা হওয়া উচিত। বাংলাদেশের তরফ থেকেও আন্তরিক সম্পর্কের বার্তা থাকবে। তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সার্ক-এর নিয়ম মেনে চলায় বিশ্বাসী।

আরও পড়ুন : ভোটের হার পেরোলো না ৬০ শতাংশ: বাংলাদেশের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ কটাক্ষ হাসিনার

তারেক রহমানের উপদেষ্টা সরাসরি কোনও দাবির প্রসঙ্গ না তুললেও তুলেছেন বিএনপি-র বর্ষীয়ান নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ। আওয়ামি লীগের জমানায় জেলখাটা এই নেতা দাবি করেন, ইতিমধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের (interim government) আমলে মামলা উঠেছে। বিদেশ মন্ত্রক তাঁর প্রত্যর্পণের (extradition) প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আমরাও তাকেই সমর্থন করি। এবার তাঁকে বিচারের মুখোমুখি হতে দিন।

–

–

–

–

–


