বাংলাদেশের ত্রয়োদশ নির্বাচনে (Bangladesh election) ধরাশায়ী জামাত। হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা ছাত্র নেতাদের পাশে থাকলো না প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আমজনতা। বরং ১৭ বছর পর প্রত্যাবর্তনেই পরিবর্তনের ম্যাজিক দেখালেন বিএনপি (BNP)চেয়ারপারসন তারেক রহমান (Tarique Rahman)।শুক্রবার গণনা শেষে দেখা গিয়েছে, ২১২টি আসনে জিতেছে বিএনপি। জামাত এবং তার জোট শরিকেরা পেয়েছে ৭৭টি আসন। অনেকেই মনে করছিলেন যে শনিবার হয়তো শপথ দিতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, গঠিত হতে পারে নয়া সরকার। কিন্তু সংবিধানের জটিলতায় সোম বা মঙ্গলবারের আগে তা সম্ভব হচ্ছে না বলেই খবর।

হাসিনা (Sheikh Hasina) দেশ থেকে চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে আসেন মহম্মদ ইউনূস। তবে নির্বাচনে অভূতপূর্ব সাফল্যের পর এবার খালেদা জিয়ার পুত্রের নেতৃত্বে সরকার গঠন করবে বিএনপি। কুড়ি বছর পর ক্ষমতায় এসেছে এই দল। তবে সিংহাসনে বসতে আরো দু-তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে। কেন? বাংলাদেশের সংবিধান বলছে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার বা তাঁর মনোনীত কেউ। কিন্তু বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কোনও খোঁজ নেই। গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। তার পর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। শপথ পাঠ করানোর জন্য তিনি কাউকে মনোনীতও করে যাননি। ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু জেলবন্দি। তাই শপথ পাঠ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে খবর। তাহলে এখন উপায়? জানা যাচ্ছে সংবিধানের নিয়ম অনুসারে ফলাফল ঘোষণা হওয়ার তিন দিনের মধ্যে যদি শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান না করা যায় সেক্ষেত্রে এই দায়িত্ব চলে যায় নির্বাচন কমিশনারের (Election commissioner) হাতে। সম্ভবত সেই পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের হাত থেকে নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর আগামী সপ্তাহের আগে হচ্ছে না।

–

–

–

–

–

–

–

–


