চলতি বছরের ডিসেম্বরে বর্তমান পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষের আগে এটাই অন্তিম বাজেট কলকাতা পুরনিগমের। একদিকে ঘাটতি কমিয়ে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য তৈরির চেষ্টা হয়েছে, অন্যদিকে পরিকাঠামোর উন্নয়নে জোর দেওয়ার কথা জানান মেয়র (Mayor) ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

রাজস্ব কর (tax) না বাড়িয়ে বরং জল সরবরাহ, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, নিকাশি, জঞ্জাল সাফাই ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে নাগরিক সুরক্ষা (security) ও পরিষেবায় (service) জোর দেওয়া হয়েছে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের পুরবাজেটে (Kolkata Corporation budget)। এবারের বাজেটে জল সরবরাহ ও নিকাশি, রাস্তা সংস্কার, বস্তি উন্নয়ন, সামাজিক প্রকল্প, আদিগঙ্গা সংস্কার-সহ বিভিন্ন খাতে আয় ও ব্যয়ের চিত্র তুলে ধরেছেন কলকাতার মেয়র।

বাজেট বক্তৃতায় তিনি জানিয়েছেন, পুরসভার তরফে শহরবাসীদের জন্য সার্বিক উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে। তাই এবারের বাজেটে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বস্তি ও ‘উত্তরণ’ প্রকল্পের উন্নয়নে। পাশাপাশি রাস্তা মেরামতি, আলোকায়ন-সহ নাগরিক পরিষেবার পরিকাঠামো উন্নয়নের কথাও বলা হয়েছে। বাজেট-বরাদ্দ বেড়েছে পানীয় জল সরবরাহ, সড়ক সংস্কার-সহ একাধিক খাতে। সম্পত্তিকর ও বিজ্ঞাপন বিভাগের আয়বৃদ্ধি নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা বলেছেন মেয়র।

আরও পড়ুন : ঘাটতি কমিয়ে জনকল্যাণমুখী পুরবাজেট ঘোষণা মেয়রের

পাশাপাশি বাজেট-বক্তৃতায় মহানাগরিকের ঘোষণা, কলকাতা পুরসভার (Kolkata Corporation) মাধ্যমে প্রায় ৭ লক্ষ ৮৩ হাজার মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) পান। সম্প্রতি ১ লক্ষ ৩০ হাজার মহিলা সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। একইসঙ্গে মানুষকে যাতে পরিষেবা পাওয়ার জন্য পুরসভায় আসতে না হয়, তার জন্য ই-পরিষেবায় জোর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মেয়র।

–

–

–

–

–


