শনিবার ভাষা দিবসের বিকেলে আইএসএলের(ISL) দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল(East Bengal)। প্রতিপক্ষ দিল্লি এফসি(Delhi FC)। ঘরের মাঠে জয়ের ধারা বজায় রাখার লক্ষ্য নিয়েই নামছে লাল হলুদ(East bengal)। প্রথম ম্যাচে মসৃণ জয়ের পর চনমনে লাল হলুদ শিবির। দ্বিতীয় ম্যাচে নামার আগে আরও কিছুটা স্বস্তিতে কোচ অস্কার ব্রুজো। চোটের সমস্যা ক্রমশ কমছে লাল হলুদ শিবিরে।

চোট সারিয়ে ফিট রাকিব, শনিবারের ম্যাচে ১৮ জনের দলে থাকবেন। মহেশ আগামী ১৫ দিনে ফিট হয়ে যাবে। কেভিন আগামী সপ্তাহে স্পেন থেকে চলে আসবে। নতুন বিদেশি অ্যান্টন সয়বার্গ ডেনমার্ক থেকে এসেছেন ও ভালো ট্রেনিং করেছেন । অ্যান্টনও দলে থাকতে পারেন।

শনিবার প্রতিপক্ষ স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি। যারা হায়দরাবাদ এফসির নতুন রূপ। দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে সচেতন অস্কার। তিনি বলেন “দিল্লি পুরোপুরি অচেনা নয়। এর আগেও কয়েকটি ম্যাচ খেলেছে। তারা পজিশালান ফুটবল খেলে।ওরা পাস খেলে অনেক মাঝ মাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টা করে।। এর আগে সুপার কাপ ও লিগের প্রথম ম্যাচে তাদের খেলা দেখেছি আমরা শনিবারের ম্যাচের জন্য সেই ভাবে পরিকল্পনা করছি,”

এখানেই শেষ নয়, অস্কার আরও বলেন, আমরা জানি এটা ছোট লিগ, আমাদের প্রতি ম্যাচে উন্নতি করতে হবে। আমাদের টপে থাকতে হবে। প্রত্যেক ম্যাচ বেশি পয়েন্ট নিতে হবে। মাঝে ফিফা ব্রেক আছে। ব্রেকের আগে টপে থাকতে হবে। আমরা আগামীকালের ম্যাচ নিয়ে ভাবছি। আমরা এখনই চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে ভাবছি না। আমরা জানি এটা সহজ নয়। এটা নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকে। আমরা টাইটেল জেতার জন্য ম্যাচ ধরে ভাবছি। আমরা আপাতত ফিফা ব্রেক পর্যন্ত ফোকাস করছি।

প্রথম একাদশে ধোঁয়াশা রেখে লাল হলুদ কোচ বলেন, শেষ ম্যাচে অনেক প্লেয়ারই ৬০-৭০ মিনিটের পর ভালো খেলতে পারেনি। ক্যাম্প ধরে। এটা নিয়ে সাজঘরে আলোচনা করেছি। প্রথম ১১ কি হবে সেটা নিয়ে ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করুন।
জিকসনও জানালেন, আমি বেশ কিছু ম্যাচ রক্ষণ এ খেলেছি এর আগে এবার ও সেই ভূমিকাতে খেলছি। এর জন্য কোচ ও সতীর্থরা আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছি। আমি খুশি এই ভূমিকায় খেলে। আমি দলের জন্য ১০০ % দেব।

ভালো দল মানেই ট্রফি সময়ের অপেক্ষা” এই বার্তা সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নারাজ লাল হলুদ কোচ,“আমরা এখনই চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে ভাবছি না। আমরা জানি এটা সহজ নয়। এটা নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকে। আমরা টাইটেল জেতার জন্য ম্যাচ ধরে ভাবছি। আমরা আপাতত ফিফা বিরতি পর্যন্ত লক্ষ্য স্থির করছি।”

–

–

–

–
–


