আইনের শাসন তো কবেই শিকেয় উঠেছে। এখন বেসরকারি স্কুলগুলিতে কন্যা সন্তানকে পড়তে পাঠানোও দায় হয়েছে বিজেপি শাসিত ওড়িশায় (Odisha)। রাজ্য়ের মানুষ, বিশেষত মহিলা ও নাবালিকারা কতটা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়লে এক বছরের বেশি সময় থেকে ধর্ষণের শিকার হয়েও মুখ খুলতে পারে না একটি স্কুল পড়ুয়া, তারই নজির রাখল মোহন মাঝির (Mohan Majhi) ওড়িশা। সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়াকে লাগাতার ধর্ষণ (rape) ও ভয় দেখানোর অপরাধ জানাতে পরিবারকে সাহায্য নিতে হল শিশু কল্যাণ কমিটির (CWC)। শেষ পর্যন্ত অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় ৫ শিক্ষক।

কেন্দ্রপাড়া (Kendrapara) জেলার একটি বেসরকারি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রী গত মাসে তার মায়ের কাছে নির্যাতনের কথা জানায়। অভিযোগ, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে স্কুলের পাঁচ শিক্ষক (school teachers) ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের (rape) মতো যৌন নির্যাতন করেছে। ছাত্রীর পরিবার প্রথমে ১৮ ফেব্রুয়ারি জেলা শিশু কল্যাণ কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরদিনই সিডব্লিউসি সদস্যরা স্কুলে গিয়ে তদন্ত করেন এবং বিষয়টিকে ‘অত্যন্ত সংবেদনশীল’ বলে উল্লেখ করেন।

এরপর নাবালিকার বাবা ও সিডব্লিউসি (CWC) আলাদা আলাদা ভাবে রাজকণিকা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলতেই শনিবার পাঁচ অভিযুক্ত শিক্ষককে (school teachers) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদের মধ্যে চারজন শিক্ষক ও একজন স্কুলের কেরানি। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ যৌন অপরাধ, শিশুদের সুরক্ষা আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

আরও পড়ুন : স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ‘ব্যান’ হবে সোশ্যাল মিডিয়া! আইন আনতে চলেছে কর্ণাটক

রাজকণিকা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক সঞ্জয় মল্লিক জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী নাবালিকার জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ও অভিযোগকারিনীর মেডিকেল পরীক্ষা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

–

–

–

–

–

