ভোটের ঘোষণার আগেই রাজ্যে নজিরবিহীন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন। ভোটার কারা, এখনও তা নিশ্চিত করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। অথচ সেই ভোটারদের (voter) নিরাপত্তাতেই না কি আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। সোমবার কীভাবে সেই বাহিনী মোতায়েন (deployment) করা হবে, তা নিয়ে বৈঠক কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের।

এক মার্চের আগেই রাজ্যে ২৪০ কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েনের তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছে অমিত শহর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ১০ মার্চের মধ্যে বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী ও পৌঁছে যাবে। কমিশনের শেষ নির্দেশিকা অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা হিসাব মতো বাহিনী তারপরে রাজ্যে ঢুকছে।

তবে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসআইআর-এর লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির আওতায় থাকা ভোটারদের নথি যাচাই করে তালিকা তৈরীর কাজ কিভাবে শেষ হওয়া সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। সোমবার বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা এসআইআর-এর নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করলেও কমিশনের প্রশিক্ষণই চলবে সোমবার পর্যন্ত। অর্থাৎ হাতে মাত্র চার দিন থাকবে তালিকা প্রকাশের আগে। তার মধ্যে যাচাই করতে হবে ৪৫ লক্ষের বেশি নথি।

তবে এর আগে একাধিকবার রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন (Central Force deployment) হলেও তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও লোকসভা নির্বাচনে খোদ কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরা সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে এবার যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে তাই আগে থেকে সতর্ক কমিশন। সোমবারই কমিশনের সিইও দফতরে (CEO office) রাজ্য পুলিশের শীর্ষ অধিকারীদের সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর একাধিক বিভাগের আধিকারিকরা। কিভাবে বাহিনী মোতায়েন হবে তা নিয়েই হবে আলোচনা।

আরও পড়ুন : ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, মার্চের শুরুতেই মোতায়েন আধাসেনা!

যে প্রক্রিয়ায় তড়িঘড়ি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাজ্যে তাতে আদতে বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রমাণিত, কটাক্ষ বাংলা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের। রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ দাবী করেন, বিজেপির সংগঠন নেই। একসময় টাকা বন্ধ করত। এরপর এনআইএ, সিবিআই, ইডি পাঠাতো। তারপর বিভিন্ন কমিশন, কমিটি পাঠাতো। তাতে কাজ হয়নি। ভোটার তালিকায় কারচুপির জন্য নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করল। তাতেও কাজ হচ্ছে না। এখন জমিদাররা দিল্লি থেকে লেঠেল বাহিনী আগে আগে পাঠিয়েছে। তারা যে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল সেটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে এই সিদ্ধান্তে।

–

–

–

–


