Wednesday, June 17, 2026

AI ব্যবহারে ‘অমিত’ হয়েছে ‘O-Mit’! আক্রমণ শানিয়ে জ্ঞানেশকে গ্রেফতারির দাবি সাকেতের

Date:

Share post:

নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছে, যাতে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটার বিপদের মুখে পড়েছেন। শুরু থেকেই এমন অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল (TMC)। আরও একবার জ্ঞানেশ কুমারকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এআই ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলে (Saket Ghokhle)। সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyenesh Kumar) গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

সমাজ মাধ্যমে সাকেত জানিয়েছেন,”এসআইআর চলাকালীন নির্বাচন কমিশন ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকা মিলিয়ে দেখতে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে। অভিযোগ, সেই পুরনো তালিকা এআই-এর সাহায্যে (AI) বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তরিত করা হয়। সেখানে নামের বানানে গরমিল হয়। ‘অমিত’ হয়ে যায় ‘O-mit’। ফলে ইংরেজি বানান না মেলায় বহু নামকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়।

সাকেতের দাবি, এই সফটওয়্যার বিভ্রাটের জেরে প্রায় ১.৬৭ কোটি ভোটারকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৯৫ লক্ষ মানুষকে শুনানির নোটিশ দেওয়া হয়।

এদিকে, শুনানি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদের ‘মাইক্রো-অবজার্ভার’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়। গোখলের অভিযোগ, মাইক্রো অবজর্ভারদের শুধু পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব থাকলেও বেআইনিভাবে ভোটার বাদ দেওয়ার ক্ষমতাও দেওয়া হয়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্দেশ জারি করে নির্বাচন আধিকারিকদের পাশ কাটানো হয় বলেও অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের।

সাকেত গোখলের (Saket Ghokhle) কথায়, “এখন প্রায় ৮০ লক্ষ বৈধ ভোটারের শুনানি তিন দিনের মধ্যে শেষ করার চাপ তৈরি হয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়াই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর ফলে বাংলার প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এই কারণেই জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন গোখেল।

Related articles

অভিজ্ঞতায় আস্থা রেখে জেলাস্তরে সাংগঠনিক রদবদল মমতার

বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর থেকেই বারবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্তের দিকে আঙুল উঠতে শুরু করেছিল,...

আরজি করের রক্ষক কেন্দ্রীয় বাহিনীই ভক্ষক! রোগীর মেয়েকে হোটেলে ধর্ষণ 

এদের হাতেই নাকি সুরক্ষিত আরজি কর (RG Kar Medical College and Hospital)! আদালতের নির্দেশে হাসপাতালে নারী সুরক্ষার জন্য...

প্রশিক্ষণ শেষের পথে, আগামী মাসেই লালবাজারে আরও ২ ট্র্যাকার ডগ!

খুনি -অপরাধী খুঁজতে লালবাজারের (Lalbazar) ভরসা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরে। আর কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতা পুলিশের হাতে (Kolkata Police) আসতে চলেছেআরও...

দিল্লিতে গ্রেফতার ৭ সন্দেহভাজন পাক জঙ্গি!

দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) স্পেশাল সেলের প্রচেষ্টায় গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ISI-এর সমর্থিত আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের...