মঙ্গলবার থেকেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যের বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা এসআইআরের লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছেন। যত দ্রুত এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শেষ করা যায়, তার জন্য তৎপর হয়েছে খোদ দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই পরিস্থিতিতে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির (logical discrepancy) আওতায় থাকা ভোটারদের যে নথি ১৪ ফেব্রুয়ারি বা তার আগে জমা পড়েছে, তা বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের হাতে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার আগে হস্তান্তর করার নির্দেশ জারি করল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্ নির্দেশে জানিয়েছিল, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। এরপর ধাপে ধাপে প্রকাশিত হবে সংযোজিত তালিকা। যেমন যেমন লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির সমস্যার সমাধান হবে, তেমন আপডেট করা হবে ভোটার তালিকা। এই পরিস্থিতিতে প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটার এখনও লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির (logical discrepancy) আওতায়। তা পর্যবেক্ষণ করেই অতিরিক্ত বিচার বিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগের নতুন নির্দেশিকা জারি হয়।

সেই বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কাজে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, এবার তার জন্যও তৎপর সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (Surya Kant, CJI) নির্দেশিকায় জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারি বা তার আগে জমা পড়া যে নথি এখনও পর্যন্ত আপলোড হয়নি, তা বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার মধ্যে আপলোড করতে হবে।

নথি যাচাইয়ের কাজ করার ক্ষেত্রে এখনও বেশি কিছুটা কাজ যে বাকি, তা রাজ্যের ইআরও থেকে বিএলও স্তরের আধিকারিকরা আগেই জানিয়েছেন। যে দ্রুততায় নির্বাচন কমিশন কাজ করছে, বা করতে চাইছে, তা রাজ্যের আধিকারিকদের জন্য কতটা চাপ তৈরি করছে, এই নথি আপলোডের দেরি, তা ফের একবার প্রমাণ করেছে। সেক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার বিকালের মধ্যে নথি আপলোড সম্পূর্ণ করা কতটা সম্ভব, তা বৃহস্পতিবারই স্পষ্ট হবে। তবে এই আপলোড যত দ্রুত হবে, তত তাড়াতাড়ি কাজ করতে পারবেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন : বাংলার নির্ধারিত সময়ে SIR শেষ করতে প্রয়োজনে ভিনরাজ্যের বিচারক নিয়োগ, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের!

অন্যদিকে, এদিন নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ফের মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। দাবি করা হয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড একমাত্র নথি হিসাবে গ্রহণ করলে তাতে জালিয়াতির পথ খুলে দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডের সঙ্গে মাধ্যমিকের পাশের সংশাপত্রকেও নথি হিসাবে জমা করতে হবে। যদিও নথি আপলোডের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে তা আর কতটা নেওয়া সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গিয়েছে।

–

–

–

–


