সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে এসআইআর-এর লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি সমস্যার সমাধানের কাজ। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করতে হবে প্রথম ভোটার তালিকা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাই রাজ্য প্রশাসনের ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৎপরতা কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court)। প্রতিবেশী দুই রাজ্যে গেল বিচার বিভাগীয় আধিকারিক (Judicial Officer) চেয়ে চিঠি। সেই সঙ্গে তাঁদের রাজ্যে নিরাপত্তা ও থাকার ব্যবস্থা নিয়ে বৈঠক করলেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল (Chief Justice Sujoy Pal)।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির দফতরে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal), রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনা, রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডে, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতীম সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। ভিন রাজ্য থেকে বিচারকদের ডাকা ও রাজ্যের বিচারকের সংখ্যা নিয়ে আলোচনা হয় সেখানে।

কলকাতা হাই কোর্ট সূত্রে খবর, প্রতিবেশী দুই রাজ্য ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক হিসাবে বিচারকদের চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে দুই রাজ্যের হাই কোর্টের আধিকারিক পর্যায়ে। ওড়িশা (Odisha) থেকে ১০০ বিচারক ও ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) থেকে ২০০ বিচারক চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের রাজ্যে থাকা নিয়েও প্রস্তুতি নিতে রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

আরও পড়ুন : কৃষক থেকে চা-শ্রমিক: একাধিক সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, অভ্যন্তরীণ মোট ৫৩০ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে এই প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২৭০ থেকে ২৮০ জন ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন। বাকিদের জন্য ওটিপি এবং ড্যাশবোর্ড তৈরির প্রক্রিয়া চলছে, শীঘ্রই তাঁরাও কাজে যোগ দেবেন।

–

–

–

–

–


