টি২০ বিশ্বকাপের মধ্যেই ব্যক্তিগত জীবনে বিরাট বির্পযয় ঘটেছে রিঙ্কু সিংয়ের(Rinku Singh)। শুক্রবার প্রয়াত হয়েছেন রিঙ্কুর(Rinku Singh) পিতা খানচন্দ্র সিং। বিশ্বকাপের মধ্যেই পিতার শেষকৃত্যে অংশ নেন ভারতীয় ক্রিকেটার। শোক সামলে ফের দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন রিঙ্কু। শোক সামলে দায়িত্ব কর্তব্যে অবিচল থাকছেন টিম ইন্ডিয়ার সদস্য, এখানেই তিনি মনে করাচ্ছেন শচীন তেন্ডুলকর , বিরাট কোহলিদের কথা।

সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুসারে, শনিবারই কলকাতায় এসে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন রিঙ্কু(Rinku Singh), বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শনিবার না হলে রবিবার সকালেই রিঙ্কু কলকাতায় চলে আসবেন। জীবনের কঠিনতম সময়েও পেশাদারিত্বের নজির রাখছেন আলিগড়ের ক্রিকেটার।

অতীতে শচীন তেন্ডুলকর ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপের সময় পিতৃ বিয়োগ হয়েছিল। কেনিয়া ম্যাচের আগে খবর পেয়েছিলেন বাবা প্রয়াত হয়েছিলেন, দেশে ফিরে এসেছিলেন শচীন, ব্যক্তিগত শোক সামলে আবার ইংল্যান্ডে গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেন। কেনিয়া ম্যাচে শতরান করে উৎসর্গ করেন প্রয়াত পিতাকে। শচীনের সেই কীর্তি ভারত তথা ক্রিকেট বিশ্বে নজির হয়েই থেকেছে। প্রায় ৩ দশক পর আবার একই ঘটনা। এবার শচীনের জায়গায় রিঙ্কু সিং।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে কর্তব্যের দৃষ্টান্ত আছে কিং কোহলির। রঞ্জি ম্যাচ চলাকালীন বাবার মৃত্য়ুর খবর পেয়েও ক্রিজ ছেড়ে যাননি কোহলি। দিল্লি দলকে হারের মুখ থেকে রক্ষা করেন।

রিঙ্কু সিং কোথাও যেন একই আসনে বসে গেলেন শচীন-কোহলিদের সঙ্গে। শুক্রবার বাবার শবদেহ কাঁধে শেষ কৃত্যের জন্য নিয়ে যান রিঙ্কু। যন্ত্রনার পেশাদারিত্বে অবিচল থেকে নজির ও অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন রিঙ্কু।

–

–

–

–

–
–


