পশ্চিম এশিয়া সংঘাতের (Middle East Conflict) মধ্যে ফের ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম (Oil Price Surge)। শনিবার রাতে আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (Ayatollah Ali Khomeinei)। তারপর থেকেই উত্তপ্ত দেশ। ইরান বর্তমানে ওপেকের চতুর্থ বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ। জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন অপরিশোধিত তেল উৎপাদন হয়েছে ৩০ লক্ষ ব্যারেলেরও বেশি। আন্তর্জাতিকভাবে তেল সরবরাহের রাস্তা হিসেবে হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) দিয়ে জাহাজে করে অন্য দেশে তেল রপ্তানি করে। এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল যায়- যা বিশ্বব্যাপী উৎপাদনের প্রায় ২০%। খামেনেই- এর মৃত্যুর পর সরকারি তরফে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার কথা না জানালেও ঘুরপথে এই রুট বন্ধ করছে তেহরান। এই উত্তেজনাময় পরিস্থিতিতে বিশ্বের একাধিক নামী তেল উৎপাদনকারী সংস্থা এবং ট্রেডিং হাউসগুলিও জানিয়ে দিয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য হরমুজ প্রণালিতে পণ্য পরিবহণ বন্ধ রাখছে তারা।

শুক্রবারের ট্রেডিং সেশনে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল $৭২.৪৮ এ পৌঁছেছে। যা $১.৭৩ (২.৪৫%) বেড়ে হয়েছে, যেখানে মার্কিন WTI অপরিশোধিত তেলের দাম $১.৮১ (২.৭৮%) বেড়ে প্রতি ব্যারেল $৬৭.০২ এ পৌঁছেছে। আরও পড়ুন: উত্তপ্ত করাচি: খামেনেই-এর মৃত্যুর প্রতিবাদ মার্কিন দূতাবাসে হামলা, বাড়ছে মৃত্যু

র্যাপিডান এনার্জির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ম্যাকন্যালি জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যা ৬ টায় (ইটি) বাজার খোলার সময় অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি আরও ৫ থেকে ৭ ডলার বাড়তে পারে। ক্যাপিটাল ইকোনমিক্সের বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, কয়েকদিনের মধ্যেই তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে যুদ্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে এই দাম আরও বাড়তে পারে। যার প্রভাব সারাবিশ্বের মুদ্রাস্ফীতির উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

–

–

–

–

–

–

–

