Site Logo

বাংলায় এসে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের ‘প্রতিশ্রুতি’! অমিত শাহর অজ্ঞতা প্রমাণ করলেন অভিষেক

EBBS Desk·
বাংলায় এসে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের ‘প্রতিশ্রুতি’! অমিত শাহর অজ্ঞতা প্রমাণ করলেন অভিষেক

বর্ষা মানেই বন্যায় পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় বানভাসি মানুষ। রাজ্য থেকে বর্ষা বিদায় নিলেও ঘাটালের মানুষ থাকত জলের তলায়। কেন্দ্রের সরকারের কাছে বারবার দরবার করেও মেলেনি কোনও সহযোগিতা। শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারই সেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Masterplan) বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। অথচ বাংলায় এসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) দাবি করছেন রাজ্য না কি কিছুই করেনি। পাল্টা তথ্য পেশ করে ঘাটালের মানুষের প্রতি কেন্দ্রে অপদার্থতার সত্য ফাঁস করলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

Sponsored

Sranchi In Article

ডেবরার সভা থেকে হঠাৎই বাংলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ অমিত শাহর। রূপনারায়ণের জল নিয়ে অমিত শাহকে পাল্টা অভিষেকের (Abhishek Banerjee) চ্যালেঞ্জ, ২০০ কোটি টাকা দিয়ে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের (Ghatal Masterplan) কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার। অমিত শাহ জানেন না। যে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে সেটা রাজ্য সরকার দিয়েছে। কেন্দ্র সরকার শ্বেত পত্র প্রকাশ করুক এই ২০০ কোটি টাকার মধ্যে কত টাকা দিয়েছে।

আদতে বাংলায় উন্নয়নের কাজ কীভাবে চলছে তা নিয়ে দিল্লির বিজেপি নেতারা কতটা উদাসীন তার পর্দা খুলে দিয়ে অভিষেক দাবি করেন, অমিত শাহ বাংলার রাজনীতির উপর তো নজর রাখেন না।  বাংলার মানুষ যে কষ্ট পাচ্ছে তা নিয়ে তো তাঁর মাথা ব্যথা নেই। তিনি ভাষণ দিয়েই বেপাত্তা। ১৫০০ কোটি টাকা খরচ করার কথা ছিল। দেবের প্রচারে গিয়ে আমি কথা দিয়েছিলাম, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। যদি কেন্দ্র সরকার কোনও সহযোগিতা না করে, রাজ্য সরকার কারো দয়া দাক্ষিণ্যে থাকবে না। আমরা নিজেরাই কাজ শুরু করব। আমরা ২০২৫-এ কাজ শুরু করেছি। অমিত শাহ জানেই না।

আরও পড়ুন : ফাঁস হওয়া ভিডিও নিয়ে হুমায়ুন-শুভেন্দু এক সুর! যোগ প্রমাণ করে দিলেন অভিষেক

যেখানে রাজ্যের ঘাড়ে দায় চাপানোর চেষ্টা করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেখানে আদতে যে কেন্দ্রের সরকারই দায়ী, সেই তথ্যও স্পষ্ট করে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক মনে করিয়ে দেন, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের দাবি কবে থেকে? ১০ বছর ধরে সংসদ থেকে শুরু করে, চিঠি দেওয়া, মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা। মুখ্যমন্ত্রীর নিজে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা। এগুলো হয়নি? এখন নির্বাচনের সময় এসে মানুষকে ললিপপ দেওয়া। হারার পর দুবছর সময় আছে, কাজ করুন। তারপরে আবার ২৯-এ ভোট চাইবেন।

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →