ভারত মহাসাগরে (Indian Ocean) ইরানের রণতরীতে টর্পেডো হামলা করেছিল আমেরিকা (USA)। পাল্টা প্রত্যাঘাতের আশঙ্কা করছিল বিশ্ব। সেটাই সত্যি হল। ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই উত্তর উপসাগরীয় এলাকায় আমেরিকার ট্যাংকারে হামলা চালালো ইরান রেভলিউশনারি গার্ড (Iran Revolutionary Guard)। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পেন্টাগনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

যুদ্ধ সংকট: কলকাতায় আটকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, প্রোটিয়াদের দেশে ফেরা নিয়েও ধোঁয়াশা

শনিবার থেকে ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে তাতে বেছে বেছে মার্কিন ঘাঁটিকে টার্গেট করছে ইরান। পাল্টা জবাব দিতে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ দিকের বন্দর শহর গল থেকে মাত্র ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে ইরানি রণতরীতে মার্কিন টর্পেডোর হামলার (US torpedo attack on Iranian warship) কথা জানিয়েছে আমেরিকা। ওই হামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন পণ্যবাহী জাহাজে প্রতিআক্রমণ চালাল তেহরান (Iran claims they have hit a US tanker in Northern Gulf )। মার্কিন পণ্যবাহী ট্যাঙ্কারে কত জন ছিলেন, সেটিতে করে কী ধরনের পণ্য নিয়ে আসা হচ্ছিল, তা এখনও জানা যায়নি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এরপর বড় কোনও হামলা করতে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আগেই জানিয়েছেন যে তারা আক্রমণ না করলে ইরান আক্রমণ করত। এই সবকিছুর জন্য বারাক ওবামার নিউক্লিয়ার চুক্তিকে দায়ী করেছেন ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ তীব্রতা বাড়তে থাকায় বিশ্বজুড়ে এর প্রভাব পড়ছে। এখনও পর্যন্ত বিমান পরিষেবার স্বাভাবিক করা যায়নি।হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার পাশাপাশি সেই জলপথ দিয়ে চিন ও রাশিয়া ব্যতীত অন্য কেউ যাতায়াতের চেষ্টা করলেই সেই জাহাজে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে ইরান। পাল্টা হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ গেলে তাকে সুরক্ষা দেওয়ার দাবি করেছে আমেরিকা। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে সংঘাত পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে।

–

–

–

–

–

–

–
–


