সপ্তম দিনে পড়ল ইরান বনাম ইজরায়েল- আমেরিকা সংঘর্ষ (Iran-Israel-US Conflict)। শুক্রবার সকালে নেতানিয়াহুর দেশের বাণিজ্য কেন্দ্র তেল আভিভ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা (Missile and Drone attack on Tel Aviv) চালিয়েছে ইরান রেভলিউশনারি গার্ডস কর্পস (IRGC)। পাশাপাশি বাহারিনের রাজধানী মারামারি একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে থাকা ইজরায়েলি দূতাবাসেও (Israel Embassy) হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে ভারত মহাসাগরে নতুন করে ইরানের রণতরী ঘিরে বাড়ছে আশঙ্কা।

শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে ভারত মহাসাগরে (Indian Ocean) থাকা ইরানি যুদ্ধ জাহাজে মার্কিন টর্পেডোর আঘাতের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের ভারত মহাসাগরের ইরানের রণতরী ঘোরাফেরা করতে দেখা গেল।শ্রীলঙ্কার (Srilanka) একটি বন্দরে নোঙর করেছে আইআরআইএনএস বুশেহর। সেখানে ২০৮ জন রয়েছেন বলে জানা গেছে। কলম্বো থেকে ওই জাহাজ ত্রিঙ্কোমালি বন্দরে পাঠানো হবে। ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের তরফে বলা হয়েছে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে ওই জাহাজকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শ্রীলঙ্কার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাতে পারছেন না আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, জাহাজ ধ্বংসের ঘটনায় ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়। অনেকেই মনে করছেন, এই জাহাজের উপরেও হামলা করতে পারে আমেরিকা। সেই আবহে পড়শী রাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্ত কি ভারতীয় ভূখণ্ডের দিকে যুদ্ধকে ডেকে আনছে না?

ইরানের নিরস্ত্র রণতরীতে যেভাবে আমেরিকার ডুবোজাহাজ হামলা করেছে তা কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের উপ-বিদেশমন্ত্রী সঈদ খাতিবজাদেহ। ট্রাম্পের আগ্রাসনের সামনে মাথা নত না করার বার্তা দিয়ে শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়াই করার হুমকি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে মার্কিন সেনেটেও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট পড়েছে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে যে খুব সহজে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘর্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে না।

–

–

–

–

–

–

–
–

