ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ন্যায্য ভোটাধিকার কাড়ার বিরোধিতায় সরব তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লড়াইতে যোগ দিয়েছেন বাংলার সব শ্রেণির মানুষ। সেই সভাই প্রমাণ দিয়েছে যে বাংলার মানুষ নির্বাচন কমিশনের এসআইআর (SIR) চক্রান্তের জবাব দিতে প্রস্তুত। সেই ধর্না মঞ্চ (dharna mancha) থেকে বাংলার মানুষের সেই প্রত্যয়ের কথাই তুলে ধরলেন যুব তৃণমূলের সভনেত্রী সাংসদ সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)।

মঞ্চ থেকে সায়নী প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন, বিরোধীরা কী করছেন? শুধু বড় বড় কথা। মানুষের ভোটাধিকার কাড়তে চাইছেন। মানুষ এবার জবাব দেবে। তাঁর কথায়, বিজেপির দিল্লিরবাবুরা কথা দিয়ে এসেছেন, বলে এসেছেন যেন তেন প্রকারেণ ১ কোটি ২৫ লক্ষ নাম বাদ দিয়ে আসব হুজুর! আগে ভোটে জিততে পারত না, বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের হাতে টাকা গুঁজে দিত। কিন্তু মানুষ বুঝে গিয়েছে। ওদের থেকে টাকা নিয়ে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে।

আরও পড়ুন : সেলসম্যানের টার্গেট পূরণ করছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার: ধর্নামঞ্চ থেকে তোপ শতাব্দীর

এদিন সায়নী আরও বলেন, গদ্দারদের নাম নিয়ে এই মঞ্চকে ছোট করব না! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা বটবৃক্ষ, আর ওই গদ্দার একটা ফল, পচে গিয়ে খসে পড়েছে। তাঁর কথায়, কখনও অন্য কোনও দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা অন্য কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সওয়াল করতে দেখেছেন? আমাদের মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। এই লড়াই আমরা চালিয়ে যাব। যতই ইডি-সিবিআই নিয়ে আসুক, যতই নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) দিয়ে মানুষের ভোটাধিকার (voting rights) কেড়ে নিক, বাংলা দখল করা যাবে না! বিজেপি বুঝতে পারছে না, এইভাবে বৈধ ভোটারদের নাম কাটা যায় না। বাংলার মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে তাদের ভিটেমাটি কাড়তে চাইছ? মানুষ এর জবাব দেবে।

–

–

–

–

–

–

