কল্যাণ চৌবের আমলে ভারতীয় ফুটবলের কলঙ্কের নতুন অধ্যায় সংযোজিত হল। এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপে (AFC Women’s Asian cup) গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জাপানের কাছে ০-১১ গোলে পরাজিত ভারত (India)। দু ডজনের থেকে একটা মাত্র গোল কম হল। প্রথমার্ধেই পাঁচ গোলে পিছিয়ে যায় ভারতের মেয়েরা, দ্বিতীয়ার্ধে হয় আরও ছয়টি গোল।

জাপানের বড় জয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন মিয়াজাওয়া ও রিকো উয়েকি। জোড়া গোল করেছেন কিকো সেইকে। বাকি তিন গোল করেছেন ইয়ামামোতো, হাসে গাওয়া ও হিজিকাতা। জাপান শেষ ম্যাচ খেলবে ভিয়েতনামের বিপক্ষে ১০ মার্চ।

ভারতীয় মহিলা ফুটবল দল স্বপ্ন দেখছে অলিম্পিক্স বা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার। কিন্তু মহাদেশীয় লড়াইয়ে ভারত কতটা পিছিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলির তুলনায় তা আজ প্রমাণিত হল। এই স্কোর বোর্ড দেখে মহিলা ফুটবলে ভারত-জাপানের যে বিস্তর ব্যবধান ধরা পড়ল, মাত্র দু-তিন দশক আগেও বিষয়টি এমন ছিল না।

মহিলা ফুটবলের প্রাক্-ফিফা আমলের কথা ছেড়ে দিন, যে বছর ফিফা মহিলা ফুটবলকে স্বীকৃতি দিয়ে প্রথমবার মহিলা ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ শুরু করে, সেই ১৯৯১-তে জাপান বিশ্বকাপের মূলপর্বে কোয়ালিফাই করেছিল এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে। ১৯৮৬ সালে ভারত জাপানকে হারিয়েছিল। কিন্ত জাপান এখন ভারতকে ১১ গোল দিচ্ছে।

চাইনিজ তাইপেইয়ের কাছে ভিয়েতনামের হার ও এখন জাপানের কাছে ভারতের এই বড় ব্যবধানে হারের সৌজন্যে প্রতিযোগিতা থেকে কার্যত বিদায় নিলো কোচ আমেলিয়া ভালভার্দের দল। এই জয়ের মাধ্যমে ২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৬ পয়েন্ট টেবিলের টেবিলের এক নম্বরে অবস্থান করছে জাপান। দুই নম্বরে আছে চায়নিজ তাইপে। ২ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট।

সমান ম্যাচে সমান সংখ্যক পয়েন্টে নিয়ে তিন নম্বরে অবস্থান ভিয়েতনামের। আর দুই ম্যাচ খেলে কোনো পয়েন্ট অর্জন করতে না পারা ভারতের আছে তলানিতে। আগামী ১০ মার্চ, চাইনিজ তাইপেইয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ভারতের জন্য কার্যত নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়ালো।

–

–

–

–
–

