নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু নির্বাচন কমিশনের। আর সেই প্রস্তুতিতে রাজ্যে জাতীয় ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক নয়টি দলের সঙ্গে সোমবার বৈঠক নির্বাচন কমিশনের। সেই বৈঠক করতে এসেই সিপিআইএম (CPIM) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Mohammed Selim) স্পষ্ট করে দিলেন বাম-বিজেপি আঁতাঁত। বিজেপির সুরে সুর মিলিয়ে এক বা বড় জোট দুই দফায় (election phase) ভোটের দাবি তুললেন তাঁরা। সেই সঙ্গে অ্যাডজুডিকেশনের (adjudication) আওতায় থাকা ৬০ লক্ষ ভোটারদের বাদ দিয়ে ভোট করানো যাবে না বলে কমিশনের (Election Commission) ফুল বেঞ্চের সামনে দাবি তোলেন তাঁরা।

রাজ্যে শূন্যের তলানিতে বামেরা নেমে যাওয়ার পিছনে একটি বড় কারণ বাম ভোট রামে চলে যাওয়া। তারপরেও যে সতর্ক হয়নি বামেরা, বিশেষত সিপিআইএম, নির্বাচন ঘোষণার আগেও তারই নজির রাখলেন মহম্মদ সেলিমরা। বিজেপির সুরে সুর মিলিয়ে এসআইআরে গণ্ডগোলের দায় প্রবল চাপে কাজ চালানো বাংলার সরকারি কর্মীদের ঘাড়ে চাপিয়েছেন।

আরও পড়ুন : বিচারাধীন ভোটার নিয়ে কোনও কথা কমিশনকে বলল না বিজেপি: ১ দফায় ভোটের দাবি

তবে অ্যাডজুডিকেশ বা ডিলিশনে যেভাবে রাজ্যের মানুষের নাম বাদ পড়েছে তাতে প্রভাব পড়েছে সিপিআইএমের ভোট ব্যাঙ্কেও। ফলে হঠাৎই সজাগ হয়েছে সিপিআইএম। ফলে কমিশনের ফুলবেঞ্চের সামনে বাম প্রতিনিধি মহম্মদ সেলিম (Mohammed Selim), শমিক লাহিড়ি ও আফরিন বেগম দাবি করেন, যে ৬০ লক্ষ মানুষকে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির আওতায় রাখা হয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকার দিতে হবে। সেই সঙ্গে যাদের নাম বাদ পড়েছে তাঁদের ভোটার তালিকায় নাম রাখার সুযোগ দিতে হবে। সেই সঙ্গে বাংলার জন্ম হারের সঙ্গে সমানুপাতিক হারে নতুন ভোটার বাড়ানো নিয়ে কমিশনের অনিহা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাম প্রতিনিধিরা।

সেই সঙ্গে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে মুখ্যনির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (CEC, Gyanesh Kumar) সামনে সরব হন বাম প্রতিনিধিরা। তাঁরা মূলত যে তিন দাবি পেশ করেন, তার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতাও ছিল অন্যতম।

–

–

–

–

–

