হঠাৎ করে একটা ফোন বদলে দিল ফ্যাশন ডিজাইনার অভিষেক রায়ের (Abhishek Roy)ভাবনা, আধ্যাত্মিক ভাবনায় আপ্লুত তারকা ভাগ করে নিলেন তাঁর ঐশ্বরিক অনুভূতির কথা। সোমবার দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের সময় হঠাৎই একটি ফোন আসে ফ্যাশন ডিজাইনারের কাছে। কোনও এক মহিলা সোমবার দুপুরে অভিষেককে ফোনে নাকি বলেন, তিনি লেক কালীবাড়ির তরফে কথা বলছেন। মাকে সাজানোর জন্য ফ্যাশন ডিজাইনারকে আসার অনুরোধও জানান তিনি। কাজের শিডিউল পরিবর্তন করে অভিষেক সেখানে যান এবং মনের মতো করে লেক কালীবাড়ির মাকে সাজিয়ে তোলেন। এরপরই নিজের অনুভূতির কথা শেয়ার করেছেন তিনি।

অভিষেক গোটা ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, শাড়ি পরানো, অলংকার পরানো থেকে শুরু করে চুলের সাজ—সবটাই তিনি নিজে হাতে করেন। ফুল দিয়ে বিশেষ সাজও করা হয়। পুরো সাজ সম্পূর্ণ করতে সময় লাগে প্রায় আধ ঘণ্টা। তাঁর সঙ্গে ছিল আধ্যাত্মিক গুরু অভিজিৎ চন্দ এবং সায়ক। অভিষেক বলেন, “আটপৌড়ে স্টাইলে একদিকে আঁচলের মতো রেখে সাজিয়ে দিলাম। শাড়ির সঙ্গে হলুদ-গোলাপি ফুলের মালা-মুকুট। অলংকারে আভূষিতা… সে কী অপরূপা ‘করুণাময়ী’। সাজানোর এই গোটা সময়টায় অদ্ভুত ঐশ্বরিক একটা অনুভূতি হল। এই যেমন আচমকা ফোন পাওয়া। যিনি ফোন করলেন, সেই মহিলাকে না আমি চিনি। না উনি আমাকে চেনেন। ব্যক্তিগত পরিচয়ও নেই আমাদের। অদ্ভুতভাবে আমার শিডিউলও তেমন ব্যস্ত ছিল না। যে কাজটা ছিল সেটাও ততটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কিন্তু মাকে সাজানোর সুযোগ পেলে এরকম কাজও পিছিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসে। কারণ এই সৌভাগ্য তো আর নিত্যদিন আসে না। মাকে সাজানোর পরই অন্তর থেকে কেমন একটা ‘ফিল গুড ফ্যাক্টর’ অনুভূত হল।” গোটা ঘটনার ঘোর এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি তারকা ফ্যাশন ডিজাইনার।

–

–

–

–

–

–

–

–

