হেঁশেলে হাহাকার, জেলায় জেলায় এলপিজি সংকট। সমস্যায় আমজনতা। এক লাফে রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬০ টাকা। গ্যাস বুকিং করার ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে ন্যূনতম ২৫ দিন। তা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। বুধবার সকালে বিভিন্ন গ্যাস পরিবহনকারী সংস্থার অফিসে লম্বা ভিড় লক্ষ্য করা গেল। কবে সিলিন্ডার ডেলিভারি হবে তা নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না কেউই। এর আগে গত মঙ্গলবার হাসপাতাল – শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি নিয়ে ESMA (Essential Services Maintenance Act) জারি হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সাফ বলে দেওয়া হয়েছে এবার থেকে গ্যাসের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। ছোটখাটো রেস্তোরাঁ থেকে স্ট্রিট ফুডের দোকানে কাঠ কয়লা দিয়ে রান্না করার চিন্তা ভাবনা করছেন বিক্রেতারা। গোটা দেশজুড়ে যাঁরা পাইপ লাইনে গ্যাস পান তাঁরাও একই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। অর্থাৎ একদিকে বেশি দাম দিতে হচ্ছে অন্যদিকে সঠিক সময়ে পরিষেবাও মিলছে না।

বুধবার সকাল থেকে কলকাতা বিভিন্ন রুটে বাড়লো অটোর ভাড়া। চিংড়িঘাটা রুটে তিন টাকা ভাড়া বৃদ্ধির খবর মিলেছে। আবার গড়িয়া বারুইপুর রুটে ১০ থেকে ১৫ টাকা ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন যাত্রীরা। জানা যাচ্ছে অস্বাভাবিক হারে বুকিং বৃদ্ধিতে সার্ভার বিভ্রাট সর্বত্র। অটোচালকদের অভিযোগ, হঠাৎই প্রায় ৫ টাকা বেড়ে এখন লিটার প্রতি এলপিজির দাম দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা প্রতি লিটার। ভাড়া না বাড়ালে কোনভাবেই সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর হঠাৎ করে গ্যাসের এই মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বেগ বেড়েছে অটোচালকদের মধ্যেও।

–

–

–

–

–

–

–

–

