গত তিন দশকের বাম আমলের অচলাবস্থা কাটিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় বাংলার আদিবাসী ও অনগ্রসর জনজাতিদের উন্নয়ন আজ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিগত ১৫ বছর ধরে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে জনজাতি কল্যাণে নজিরবিহীন সাফল্য দাবি করছে রাজ্য সরকার। কিন্তু রাজ্যের এই সাফল্যের খতিয়ানকে কার্যত উপেক্ষা করে সম্প্রতি বাংলা সফরে এসে দেশের রাষ্ট্রপতির কিছু মন্তব্য ঘিরেই তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, দেশের প্রথম নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির ভূমিকা ছিল অনেকটা ‘বিজেপির মুখপত্র’-এর মতো। এই প্রেক্ষাপটেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের সময় চাইল তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় প্রতিনিধি দল।

তৃণমূলের অভিযোগ, এত উন্নয়ন সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে রাজ্য সরকারের প্রশংসা তো দূরস্থান, উল্টে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বিমাতৃসুলভ’ আচরণ নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। বরং বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে তিনি রাজনৈতিক আক্রমণের পথ বেছে নিয়েছেন। এই বিষয়ে রাষ্ট্রপতির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন ইতিবাচক আলোচনার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভবনকে দু’টি চিঠি পাঠিয়েছেন। তৃণমূলের একটি উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধি দল দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে রাজ্যের প্রকৃত চিত্রটি তুলে ধরতে চায়। কিন্তু সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও উত্তর মেলেনি। তৃণমূলের সাফ কথা, কেন দেশের প্রথম নাগরিক একটি নির্বাচিত সরকারের জনহিতকর কাজের সমালোচনা করে রাজনৈতিক বিতর্কে জড়ালেন, তার জবাব তাঁরা চান।

আরও পড়ুন- কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী: গঠিত হলো পশ্চিমবঙ্গ ব্যবসায়ী কল্যাণ বোর্ড

_

_

_

_

_

_

_
_


