২০২৩ সালে ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’ ও ‘ডানকি’-র মাধ্যমে বক্স অফিস কাঁপিয়ে দেওয়ার পর, ২০২৬ সালে এসে কিছুটা আর্থিক টানাপোড়েনের মুখে বলিউডের ‘কিং খান’। ‘হুরুন গ্লোবাল রিচ লিস্ট ২০২৬’ (Hurun Global Rich List 2026)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে শাহরুখ খানের মোট সম্পত্তিতে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তালিকায় পিছিয়ে পড়লেও, তিনি এখনও ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা হিসেবে নিজের জায়গা বজায় রেখেছেন।

৫ মার্চ প্রকাশিত হুরুন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে শাহরুখ খানের মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০,৮০০ কোটি টাকা)। অথচ ২০২৫ সালে এই অঙ্ক ছিল প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২,৪৯০ কোটি টাকা)। অর্থাৎ, গত এক বছরে তাঁর সম্পত্তি প্রায় ১৬৯০ কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, গত দেড় বছরে শাহরুখের নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি না পাওয়া এবং তাঁর প্রযোজনা সংস্থা ‘রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট’-এর বড় প্রজেক্টগুলো এখনো নির্মাণাধীন থাকায় এই আর্থিক ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

গত বছর শাহরুখের সম্পত্তি মার্কিন পপ তারকা টেলর সুইফটের থেকে বেশি থাকলেও, এবার ছবিটা উল্টো। টেলর সুইফট এখন ১.৬ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৪,৭৫৯ কোটি টাকা)-এর মালিক। এছাড়াও এই তালিকায় বিনোদন জগতের শীর্ষে রয়েছেন জে-জি (Jay-Z), যাঁর সম্পত্তি ২.৮ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৫,৮২৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, বিশ্বব্যাপী বিনোদন জগতের ধনী তারকাদের তালিকায় শাহরুখ এখন হলিউডের তারকাদের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন। এই তালিকায় ভারতীয়দের জন্য বড় চমক নিয়ে এসেছেন প্রযোজক নমিত মালহোত্রা। রণবীর কাপুরের আসন্ন ছবি ‘রামায়ণ’-এর প্রযোজক নমিত এই প্রথম বিলিয়নেয়ারদের তালিকায় জায়গা করে নিলেন। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৯,২০৪ কোটি টাকা। বাবার গ্যারেজে একটি ছোট এডিটিং ওয়ার্কশপ থেকে যাত্রা শুরু করে আজ তিনি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ভিএফএক্স (VFX) কোম্পানি ‘প্রাইম ফোকাস’ এবং ‘ডিএনইজি’ (DNEG)-এর মালিক। হলিউডের ‘ডুন’ বা ‘টেনেট’-এর মতো অস্কারজয়ী সিনেমার ভিএফএক্স-এর নেপথ্যে রয়েছে তাঁরই কোম্পানি।

আরও পড়ুন – কবে বেরোবে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট? হাইকোর্টে বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকে কমিশন-রাজ্যের

_

_
_

_
_

_
_



