ইরানের উপকূল থেকে ৩৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপে (Kharg Iceland) হামলা চালালো মার্কিন সেনা (US Army)। খামেনেইর দেশের অন্যতম বড় তেল রফতানি কেন্দ্রে মুহুর্মুহু বোমাবর্ষণ। ইরানের অর্থনীতি ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যেই যে এই হামলা স্পষ্টভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। নিজের সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে একটি পোস্টে বোমা হামলার ঘটনাকে সর্বকালের ভয়ংকর আক্রমণ বলে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, খার্গ দ্বীপে থাকা ইরানের প্রতিটি সামরিক ঘাঁটিই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরই তাঁর হুংকার, ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে না দিলে সেই জলপথকেই আগামীতে টার্গেট করবে আমেরিকা।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে নিজের শক্তি প্রদর্শন করতে বিন্দুমাত্র পিছিয়ে নেই ইরান। আমেরিকার হামলার দিনেই সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে জ্বালানি ভরার সময় পাঁচ মার্কিন ট্যাঙ্কার বিমানে আছড়ে পড়ল ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র (Iran strikes on US flight)। যদিও এই ঘটনায় কারোর মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সম্প্রতি হোয়াইট হাউজ দাবি করেছে যে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সেনা মিলে ইরানের অন্তত ১৫টি ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গিয়েছে এবং মোজতবার সন্ধান দিলে বিরাট অর্থের পুরস্কারেরও ঘোষণা করা হয়েছে মার্কিন প্রশাসনের তরফে। প্রায় দু সপ্তাহ হতে চলল ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ইজরয়েল ও আমেরিকা। হরমুজ বন্ধ করে আইআরজিসি (IRGC) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না। চিন ও রাশিয়ার পর ‘বন্ধু’ ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে ইরান। সবমিলিয়ে চাপ বাড়ছে ট্রাম্পের।

–

–

–

–

–

–

–

–


