প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পরেই ঘাসফুল শিবিরের উৎসাহ এখন তুঙ্গে। প্রার্থী হতে পারেন এমন আঁচ পেয়ে অনেক জায়গায় আগেই দেওয়াল চুনকাম করা ছিল, তবে তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে নাম বসানোর কাজ শুরু হয়ে গেল। কলকাতা থেকে জেলা— সর্বত্রই এখন ছবিটা এক।

মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়েছে পূর্ণ উদ্যমে। পাশাপাশি রাসবিহারী কেন্দ্রে প্রচারের রণকৌশল স্থির করে নিজেই দেওয়াল লিখনে হাত লাগিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। পিছিয়ে নেই টালিগঞ্জও। সেখানে বিজয়গড় এলাকায় দেওয়াল লিখে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন অরূপ বিশ্বাস। উত্তর কলকাতায় চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং বেহালা পশ্চিমে রত্না চক্রবর্তীর সমর্থনেও দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু করেছেন দলের কর্মীরা।

শহরের পাশাপাশি জেলার ছবিটাও একইরকম উজ্জ্বল। বীরভূমের বোলপুরে প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পরেই প্রচারে নেমেছেন চন্দ্রনাথ সিনহা। দেওয়াল লিখতে লিখতেই তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, তৃণমূল সরকারের উন্নয়নই আমাদের প্রধান শক্তি। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাজ্যে যে কাজ হয়েছে, তা মানুষের সামনে তুলে ধরেই আমরা ফের জয় নিশ্চিত করব।

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায় বাইক মিছিল করে প্রচারে ঝড় তুলেছেন সূর্যকান্ত দোলই। ভগবন্তপুর থেকে মহেশপুর পর্যন্ত র্যালি শেষে তিনি নিজে হাতে দেওয়াল লিখন করেন। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রে প্রদীপ মজুমদারের সমর্থনে আশীষ মার্কেটে প্রথম দেওয়াল লিখন সারা হয়েছে। বাঁকুড়ার ইন্দাসেও ছবিটা আলাদা নয়। সেখানে প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদীকে সঙ্গে নিয়ে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন তৃণমূল কর্মীরা। সব মিলিয়ে প্রার্থীতালিকা প্রকাশের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের দেওয়ালে দেওয়ালে এখন শুধুই ঘাসফুলের জয়গান।

আরও পড়ুন- ভোটার তালিকা থেকে ৬০ লক্ষ নাম বাদ কেন? জবাব চেয়ে কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

_

_

_

_

_
_

