“সংবিধান পাল্টানোর ছক কষছে বিজেপি। গুজরাটে (Gujrat) অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনা হয়েছে। এখানে জিতলেও সেই নিয়ম লাগু করার চেষ্টা করবে। এতে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আদিবাসী ভাইবোনেরা।” শুক্রবার, বিনপুর জঙ্গলকন্যা বীরবাহা হাঁসদার (Birbaha Hansda) হয়ে প্রচার মঞ্চ থেকে তোগ দাগলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

বিজেপি প্রার্থীকে বহিরাগত বলে কটাক্ষ করে ঝাড়গ্রামের বিনপুরের সভায় অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “রাজনীতি করার অধিকার সবার রয়েছে। সব দলেরই রয়েছে। কিন্তু দুই দলের প্রার্থীর তুল্যমূল্য বিচার করুন। একদিকে আপনাদের ভূমিকন্যা বীরবাহা। অন্যদিকে, বিজেপির যিনি প্রার্থী, তাঁর বাড়ি হাওড়ায়। বিনপুরের সঙ্গে কোনও যোগ নেই। বিজেপির দলের লোকেরাই তাঁকে মানছে না।” তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিনপুর বিধানসভায় তৃণমূলের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা।” 

অভিষেকের অভিযোগ, বিজেপি যাঁকে প্রার্থী করেছে, তাঁকে দলের কর্মীরাই মানছেন না। তাঁর বাড়ি হাওড়ায় লোকসভা নির্বাচনে কালীপদ সোরেনের এর কাছে দেড় লক্ষ্যের বেশি ভোটে হেরেছে। একটা ছাত্র পরপর দুবার ফেল করলে তাঁকে আর স্কুলে পড়ার পারমিশন দেওয়া হয় না। সার্টিফিকেট দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়। রাজনৈতিকভাবে বিজেপি দেউলিয়া। ফলে সেই ছাত্রকে প্রার্থী করেছে।”
আরও খবর: বেলদায় প্রচারে বেরিয়ে স্থানীয়দের শাসানি বিজেপি প্রার্থীর

তীব্র আক্রমণ করে তৃণমূলের সেনাপতি বলেন, “গুজরাটে দেওয়ানি বিধি এনেছে। এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে দেওয়ানি বিধি আনবে আর ফলে সাঁওতালি মা বোনেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা কী জামা কাপড় পড়ব, কীভাবে খাওয়া-দাওয়া করব কার সাথে কথা বলবো কিভাবে পূজা করব সেটা দিল্লির নেতারা ঠিক করে দেবে। ওরা শুধু আমাদের ভোট নিয়ে ঠিক করে দেবে আমরা কীভাবে কার সাথে কথা বলব, কীভাবে চলব। এর বিরুদ্ধে ভারতবর্ষের মাটিতে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই করছে। আগামী দিনের আড়াইশোর বেশি সরকার গড়বে এই নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই।”


–

–

–

–

–

–
