পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে উর্ধ্বমুখী জ্বালানির দাম। দিন কয়েক আগে এলপিজি সিলিন্ডারের (LPG Cylinder) দাম বেড়েছে, ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার থেকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম (Petrol Diesel price hike) বাড়িয়েছে একটি সংস্থা। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে মোদি সরকারের (BJP Government) বিরুদ্ধে। এই অবস্থায় শুক্রবার পেট্রল ও ডিজেলের উপর আবগারি শুল্ক (Excise Duty) লিটার প্রতি ১০ টাকা করে কমাল পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক (The Ministry of Petroleum and Natural Gas)। ডিজেলের উপর থেকে তুলে নেওয়া হল শুল্ক। কিন্তু এর ফলে আমজনতার উপকার হবে কি? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের ফলে এখনই পেট্রোল বা ডিজেলের দাম কমে যাচ্ছে এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। কারণ কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে সরাসরি কোন প্রভাব নেই খুচরো বাজারে। ফলে মূল্য বৃদ্ধির বাজারে আমজনতার কোনও স্বস্তি হচ্ছে না।

পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক (MoPNG ) সূত্রে জানা গেছে লিটার প্রতি ১০ টাকা করে দাম কমানোর ফলে পেট্রলের ক্ষেত্রে লিটার প্রতি শুল্ক কমে হল ৩ টাকা। শুক্রবার যুদ্ধের ২৮তম দিন। ইরান- ইজরায়েল -আমেরিকার সংঘর্ষ থামার কোনও লক্ষণ নেই। যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, তত বাড়ছে জ্বালানি সংকট। বৃহস্পতিবার নায়ারা এনার্জি ঘোষণা করেছে, পেট্রোল এর ক্ষেত্রে প্রতি লিটারে ৫ টাকা করে দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ডিজেলের দাম বাড়ছে প্রতি লিটারে ৩ টাকা। বৃহস্পতিবার থেকেই যা কার্যকর হয়েছে। এই অবস্থায় পেট্রোলের আবগারি শুল্ক (Excise Duty) লিটার প্রতি ১০ টাকা করে কমাল পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। শুক্রবার থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী হচ্ছে। যদিও ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এই শুল্ক হ্রাসের ফলে এখুনি সাধারণ বাজারে জ্বালানির দাম কমার সম্ভাবনা কম। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছে জ্বালানি বিপণন সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের শুল্ক হ্রাসের ফলে তারা সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে। সাধারণ মানুষের জন্য পেট্রোল বা ডিজেলের দাম কমানো হবে না।

–

–

–

–

–

–

–

–
