চ্যাম্পিয়নের মতোই আইপিএল অভিযান শুরু করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। শনিবার আরসিবি ৬ উইকেটে হারিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তাও আবার দুশোর বেশি রান তাড়া করতে নেমে ২৬ বল হাতে রেখে!

সৌজন্যে বিরাট কোহলি। তাঁর ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের ধ্রুপদী ইনিংসের সামনে ম্লান হয়ে গেল সানরাইজার্স অধিনায়ক ঈশান কিশানের ৩৮ বলে ৮০ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। ফিল সল্ট (৮) দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরার পর ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করে গেলেন বিরাট। ফলে দেবদত্ত পরিক্কল, যিনি এদিন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নেমেছিলেন হাত খুলে ব্যাট করলেন। পরিক্কল ২৬ বলে ৬১ রান করে আউট হওয়ার পর, একই কাজ করে গেলেন রজত পাতিদারও (১২ বলে ৩১)। তবে আসল নায়ক বিরাট-ই। গত বছর আইপিএল ফাইনালের পর আর কোনও টি ২০ ম্যাচ খেলেননি বিরাট। প্রায় ১০ মাস পর ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে ফিরেই চেনা মেজাজে কিং কোহলি।

গত বছরের ৪ জুন আরসিবি-র বিজয় উৎসবে যোগ দিতে এসে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছিলেন ১১ জন ক্রিকেটপ্রেমী। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবার কোনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়নি। ম্যাচ শুরু হয় নিহতদের প্রতি এক মিনিটের নীরবতা পালন করে। এছাড়া গ্যালারিতে ১১টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছিল নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। প্রথমে ব্যাট করতে নামা সানরাইজার্সের ইনিংসের শুরুতেই জোড়া ধাক্কা দেন আরসিবির কিউয়ি পেসার জেকব ডাফি। একই ওভারে তিনি তুলে নেন অভিষেক শর্মা (৭) ও ট্রাভিস হেডকে (১১)। ডাফির তৃতীয় শিকার নীতীশ রেড্ডি (১)। ফলে ২৯ রানেই ৩ উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে যায় সানরাইজার্স। ওই পরিস্থিতিতে হেনরিখ ক্লাসেনকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই শুরু করেন ঈশান কিশান। ঈশানকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছিলেন ক্লাসেনও। কিন্তু ৫৩ বলে ৯৭ রান যোগ হওয়ার পর এই জুটি ভাঙেন রোমারিও শেফার্ড। ২২ বলে ৩১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে ফিল সল্টের দুরন্ত ক্যাচে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ক্লাসেন।

ঈশান দলের রান এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তিনিও সল্টের একটি অসাধারণ ক্যাচে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ঈশান আউট হওয়ার পর, অনিকেত ভার্মার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে দুশোর গণ্ডি পার করে ফেলেছিল সানরাইজার্স। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।

আরও পড়ুন – বেলেঘাটায় শক্তিবৃদ্ধি তৃণমূলের, কুণালের উপস্থিতিতে দলবদল বাম-বিজেপি কর্মীদের

_

_

_

_

_
_
