নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে সব দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়নের প্রক্রিয়াও তত দ্রুত হচ্ছে। সোমবারই প্রথম দফার নির্বাচনের মনোনয়ন জমার শেষ দিন। তার মধ্যেই দ্বিতীয় দফার মনোনয়ন প্রক্রিয়াও চলছে জোর কদমে। সোমবার মনোনয়ন জমা দিলেন বেলেঘাটা কেন্দ্রের (Beleghata assembly constituency) তৃণমূল প্রার্থী সাংবাদিক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। মনোনয়ন পেশের (nomination file) মিছিলে জনসমর্থক কার্যত প্রমাণ করে দিল বেলেঘাটার মানুষের সমর্থন তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিই অটুট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিভাবকত্বে, বিদায়ী বিধায়ক পরেশ পালের সান্নিধ্যে নির্বাচনে লড়াইয়ের বার্তা দেন তিনি।



সোমবার সকালে মনোনয়ন পেশের আগে বেলেঘাটার গান্ধীভবনে যান প্রার্থী কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। শ্রদ্ধা জানান গান্ধী মূর্তিতে। গান্ধী মূর্তির (Gandhi statue) পায়ে নিজের নথি ঠেকিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকে দলীয় কর্মী সমর্থকদের স্লোগানের মধ্যে দিয়ে জেশপ বিল্ডিংয়ে মনোনয়ন জমা দিতে যান তিনি।


আরও পড়ুন : দলনেত্রীর কড়া বার্তার পরেই প্রার্থীপদ প্রত্যাহার মনিরুলের


আসন্ন নির্বাচনে বেলেঘাটা কেন্দ্রে তৃণমূলের জয় সম্পর্কে কুণাল ঘোষ জানান, এখানে ব্যক্তি নই, আমি নিমিত্তমাত্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে লড়াইটা দিচ্ছেন – একদিকে বাংলার উন্নয়নের ও অন্যদিকে বিজেপির বঙ্গ বিরোধী নীতি। সেই সঙ্গে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার লড়াইটা এখন প্রধান গুরুত্ব। কারণ বৈধ ভোটারদের ওরা বাদ দিচ্ছে। সেই লড়াইতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর দল, তাঁর প্রার্থীদের সারা বাংলায় মানুষ সমর্থন করছেন। আমার ব্যক্তিগত টেনশনের কোনও কারণই নেই। মাথার উপর মমতাদি, অভিষেক। এখানে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদায়ী বিধায়ক পরেশদা আমার দাদার মতো। আর আটজন দক্ষ কাউন্সিলর বেলেঘাটার আটটি ওয়ার্ডে রয়েছেন। তার সঙ্গে সিনিয়র নেতা স্বপন সমাদ্দার, পবিত্র বিশ্বাস, অলোক দাস রয়েছেন। ফলে অভিভাবকেরা আমায় গাইড করছেন।

–

–

