শারীরিক কারণে সাম্প্রতিক প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে না থাকলেও তাঁর উপস্থিতি ছায়ার মতো অনুসরণ করত মালদহের রাজনীতিকে। সেই আবু হাসেম খান চৌধুরি (Abu Hasem Khan Chowdhury) বুধবার রাতে প্রয়াত হন কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে। বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদের প্রয়াণে মালদহে গণি খান চৌধুরি (ABA Gani Khan Chowdhury) যুগের অবসান, বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মালদহের কংগ্রেস জমানার এক নক্ষত্রের পতন হয়েছিল গণি খান চৌধুরির মৃত্যুতে। সেই লেগাসি ধরে রেখেছিলেন তাঁর ভাই আবু হাসেম খান চৌধুরি বা ডালু। তবে শারীরিক কারণে সম্প্রতি তিনি প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অনুপস্থিত ছিলেন। সেই কারণে মালদহ দক্ষিণের (Maldah Dakshin) পরিচিত আসলে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করেননি তিনি। তাঁর পরিবর্তে সেই আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তাঁর ছেলে ইশা খান চৌধুরি (Isha Khan Chowdhury)।

যদিও তার আগে ২০০৯ সাল থেকে তিনিই ছিলেন মালদহ দক্ষিণের সাংসদ। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমলে তিনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন। তবে লোকসভার পাশাপাশি মালদহ জেলার জন্য একজন বিধায়ক হিসাবে আবু হাসেম খান পরিচিত ছিলেন। বাম আমলে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কালিয়াচক কেন্দ্র থেকে বিধায়ক ছিলেন তিনি। গণি খান চৌধুরির (ABA Gani Khan Chowdhury) প্রয়াণের পরে মালদহের কংগ্রেসের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন আবু হাসেম খান (Abu Hasem Khan) বা ডালু। যদিও তাঁর সময়ই রাশ আলগা হয়ে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন পরিবারের সদস্য মৌসম বেনজির নূর। অবশ্য সেই সদস্যও চলতি বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের কংগ্রেসে।

আরও পড়ুন : নেই বাড়ি-গাড়ি: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মোট সম্পত্তি ১৫ লক্ষ

সম্প্রতি তিনি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকার নার্সিং হোমে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। সেখানেই বুধবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে মালদহে।

