সফল চন্দ্রাভিযানের (Artemis 2)শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন চার মহাকাশচারী। শনিবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে স্প্ল্যাশডাউনের পর নভোশ্চররা সুস্থ আছেন বলেই নাসা সূত্রে জানা গেছে। প্রায় পাঁচ দশক পর চাঁদে মানুষ পাঠায় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (NASA)। যদিও তাঁরা পৃথিবীর উপগ্রহের মাটিতে পা রাখেন নি, পর্যবেক্ষণ করেছেন কক্ষপথ থেকেই। আজ পর্যন্ত মহাকাশ অভিযানে সবচেয়ে দূরবর্তী পথ (পৃথিবী থেকে প্রায় ৪,০৬,৭৭৮ কিলোমিটার দূরত্ব) অতিক্রম করে ইতিহাস গড়লেন চার মহাকাশচারী।


চাঁদের কক্ষপথে ঘুরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করতে গিয়ে সাময়িকভাবে সমস্যা তৈরি হয় নভোশ্চরদের। কয়েক মিনিটের জন্য NASA-র সঙ্গে পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে। তখন মহাকাশযানটির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪০,০০০ কিমি, তাপমাত্রা প্রায় ২,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নির্বিঘ্নে পৃথিবীতে ফিরে এলেন চার মহাকাশ বিজ্ঞানী। প্যারাশুটে করে প্রশান্ত মহাসাগরে নামেন তাঁরা। সবটাই লাইভ টেলিকাস্ট করে NASA।
কম্যান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেনের (Commander Reed Wiseman, Pilots Victor Glover, Christina Koch and Canadian Jeremy Hansen) এই অভিযান আগামী দিনে চাঁদে মানুষ পাঠাতে সাহায্য করবে বলেই আশাবাদী মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। আর্টেমিস ২ (Artemis 2) মিশন সফল হওয়ার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।

–

–

–

–

–

–

–
–
